গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভুমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল সমীপে,
শ্রদ্ধেয় মীর হেলাল ভাইজানরে ,
গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন। আশা করি, আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে নানান ফর্মূলা তৈরী ও বাস্তবায়ন করিয়া ভালোই আছেন। আমিও চট্টগ্রাম শহরে থাকিয়া দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়া ভাবিয়াই নানান রকম চিন্তা করিয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি।
গেলবার চট্টগ্রামের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন সমীপে গরম কথা লিখিবার সময় এইবার আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম ।এই কারণে আপনাকে লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না, বরং শত ব্যস্ততার মধ্যেও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন আর ভুল হইলে নিজগুনে মাফও করিয়া দিবেন।
ভাইজানরে,
আপনি হইলেন , খালেদা জিয়া সরকারের বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী এবং চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মীর নাছির উদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান।আপনার আগে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ভুমি প্রতিমন্ত্রী পরে মন্ত্রী ছিলেন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু পুত্র সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। চট্টগ্রামের যেহেতু আপনারা দুইজনই একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সে কারণে আপনাদের পারিবারিক ইতিহাসও চট্টগ্রামবাসী জানে।অনেকের মুখে শুনা যায়, মীর হেলাল ভালো ছিলেন নাকি জাবেদ ? পড়ালেখায় আপনি ব্যারিষ্টার হইলেও জাবেদ ব্যারিষ্টার ছিলেন না। জাবেদ ব্যারিষ্টার না হইলেও ব্যবসা-বাণিজ্যে জাবেদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ছিল অনন্য। জাবেদ চেম্বারেরও নেতৃত্ব দিয়াছিলেন। আপনার দুইজন তরুণ ও চৌকষ মন্ত্রী হিসাবে দেশ ব্যাপী পরিচিতি লাভ করিয়াছেন । জাবেদ জাতিসংঘ পদক লাভ করিয়াছিলেন আবার টাকা পাচার , লন্ডন – দুবাই, ফ্লাট বাণিজ্য লইয়া বেশ বিতর্কিত হইয়াছে। অবশ্য সেইরকম কোন বিতর্ক আপনার নাই। যাক , সেইসব কথা।
ভাইজানরে,
আপনি ২২-২৪ সেপ্টেম্বর ৪৮ ঘণ্টায় ১৪ কর্মসুচীতে অংশ গ্রহণ করিয়া সরকারের প্রশংসা কুড়াইয়াছেন। এইসব অনুষ্ঠান সত্যই আপনাকে আলাদা মর্যদার আসনে আসীন করিয়াছে। আপনার কর্মব্যস্ততা চট্টগ্রামবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়াছে। ‘মীর হেলালের কর্মব্যস্ততা চট্টগ্রামবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে’ শিরোনাম সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা পত্রিকা সেকেন্ড লীড নিউজও করিয়াছে।নিউজটি পড়িয়া মীর হেলাল ও লায়ন হেলাল সমর্থকেরা বলিতেছে এইভাবে কাজ করিলে তারেক রহমান অতি সহসা ভুমি পূর্ণ মন্ত্রীও করিয়া দিতে পারেন আপনাকে।
ভাইজানরে,
আপনাকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ, মহানগর ও উত্তরের রাজনীতিতেও সময় দিতে হইবে বলিয়া আপনার সমর্থকেরা বলিতেছে।সামনে ইউপি নির্বাচনে আপনার সমর্থিত লোকজন মেম্বার চেয়ারম্যান বেশী নির্বাচিত হইবে বলিয়া শুনা যাইতেছে।যাহারা দলীয় মনোনয়ন পায় নাই অথচ দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করিয়াছে তাহাদেরকে, দলে -পদে কিংবা মেম্বার চেয়ারম্যানে জিতাইয়া মূল্যায়ন করিয়া দেশপ্রেমিক নেতা কর্মী তৈয়ারী করিবেন।কয়েকজন এমপি আখের গুচাইতেছে বলিয়া খবর পাইতেছি।তাহাদের ব্যাপরে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক তথ্য দিবেন।চট্টগ্রামের মেয়র ‘বগা’ কান্ড, সাজেন্ট ইন্স্যু ও বাঁশখালীরা সন্ত্রাসী এইসব কথা এখন দেশ জুড়িয়া আলোচনা হইতেছে। জামাতের শামসুজ্জামান হেলালীও প্রকাশ্য মেয়র ডাঃ শাহাদাতকে লইয়া সমালোচনা করিতেছে।
ভাইজানরে,
হু- হু করিয়া তেল,গ্যাস , মাছ, মাংস ,আটা ইত্যাদির দাম কেন বাড়িতেছে ? বাজেটের পর পর এইসবের দাম বাড়ে নাই এখন কেন বাড়িতেছে তাহা খবর রাখিবেন। তলে তলে এইসবের কারণে সাধারণ মানুষ আগে ভালো ছিলাম বলিয়া প্রকাশ্য বলিতে শুনা যাইতেছে। বিষয়টি জাতীয় , হালকা মনে করিবেন না।
আজ আর না । আপনার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনায় ইতি আপনারই গ্রাম বাংলা অখ্যাত ঠাণ্ডা মিয়া
গ্রন্থনা ম.আ. হ তারিখ ১০.১০.২০২৬ আগামী সংখ্যায় সংসদ সদস্য হাসনাৎ আবদুল্লাহ সমীপে ঠাণ্ডা মিয়া গরম কথা (৩৬৭) সম্প্রচার করা হইবে।