1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, ঋণ আর নিষেধাজ্ঞায় দুশ্চিন্তায় জেলেরা - পূর্ব বাংলা
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, ঋণ আর নিষেধাজ্ঞায় দুশ্চিন্তায় জেলেরা বাউফলে ছাত্রদলের ৩ ইউনিয়নে নতুন টিম গঠন ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা (৩৬৫ ) মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন সমীপে বোদায় নিম্নমানের ইটের কাজ ঠেকাতে গিয়ে হুমকির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান-কেরানীহাট মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে জনসাধারণ সিডিএ চেয়ারম্যানকে আনোয়ারা ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দের স্মারকলিপি ওসি জাহেদুল কবির পিপিএম পদকে ভুষিত হলেন এবার বান্দরবানে এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান আখন্দের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশ সদস্যকে গাড়িতে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি !আসামি গ্রেপ্তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে নিয়ন্ত্রণহীন দূর্নীতি, রুখবে কে ?

ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, ঋণ আর নিষেধাজ্ঞায় দুশ্চিন্তায় জেলেরা

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

 

সাকিব হোসেন

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলে ইলিশের ভরা মৌসুমেও জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত মাছ। নদী ও সাগরে জাল ফেলে অনেকটা খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। এর মধ্যে মাছ ধরতে গিয়ে করা ধারদেনা ও দাদনের ঋণের চাপ বাড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলেরা।

ভাদ্র-আশ্বিন ইলিশের ভরা মৌসুম হিসেবে পরিচিত হলেও এবার রাঙ্গাবালীর নদী-সাগরে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় জেলেদের আয় কমে গেছে। অন্যদিকে সামনে মৎস্য আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় নিষেধাজ্ঞার আগে পর্যাপ্ত মাছ না পেলে লোকসানের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
রাঙ্গাবালীর নদী ও সাগরে মাছ শিকারই হাজারো জেলের প্রধান জীবিকা। মাছ ধরতে সাগরে যাওয়ার আগে জ্বালানি, বরফ, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে অনেক জেলেকেই ধারদেনা করতে হয়। কিন্তু মাছ কম পাওয়ায় সেই দেনা পরিশোধ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

জেলেরা জানান, একটি ট্রলার নিয়ে সাগরে যেতে জ্বালানি, বরফ ও খাবারসহ বেশ কিছু টাকা খরচ হয়। কিন্তু সাগরে গিয়ে আশানুরূপ মাছ না পেলে খরচের টাকাই দেনায় পরিণত হয়। এর সঙ্গে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে ঘাটে ফিরতে হয়। ফলে একদিকে মাছের অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে ঋণের চাপ দুই মিলিয়ে পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরাও ইলিশের সংকটে প্রভাবিত হচ্ছেন। জেলেরা পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় তাদের ব্যবসায়ও মন্দা দেখা দিয়েছে। সামনে নিষেধাজ্ঞার আগে পর্যাপ্ত মাছ না পেলে ব্যবসায়ীদের পুঁজি আটকে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ইলিশের পুরো জীবনচক্র ও অভিবাসন পথ বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখতে হবে। সাগর থেকে নদীতে আসার পথে নির্বিচারে মাছ ধরা, অবৈধ ও ছোট ফাঁসের জাল এবং অতিরিক্ত আহরণের কারণে অনেক ইলিশ প্রজননের সুযোগ পাওয়ার আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, চর ও পলি জমা, নদী দখল ও দূষণও ইলিশের চলাচল ও প্রজনন পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না হলে উপকূলীয় এলাকায় ইলিশের উৎপাদন আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla