1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
ডিমে ডজনে কমল ১০ টাকা, মাছ-মুরগিতে ফেরেনি স্বস্তি - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম? ঈদগাঁওতে ৮শত ইয়াবাসহ বাসচালক গ্রেপ্তার ডিমে ডজনে কমল ১০ টাকা, মাছ-মুরগিতে ফেরেনি স্বস্তি ঈদগাঁওয়ের শিক্ষা বিস্তারের অনন্য বাতিঘর মাস্টার মোজাম্মেল হক ফরাজী ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে ঠান্ডা মিয়ার গরম কথা ( ৩৬৪ ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমীপে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সিজেএ বাংলাদেশের নেতাদের সাক্ষাৎ রুদ্রজ ব্রাহ্মণ (নাথ) স¤প্রদায়ের ব্রাহ্মণ বর্ণ এবং গোত্র ব্যবস্থার প্রামাণিক তথ্য পাঁচলাইশ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ঘিরে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ ‘কন্ট্রাক্টে’ পাসপোর্ট করে দেওয়ার আশ্বাস, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ; দালালদের তৎপরতা অস্বীকার কর্তৃপক্ষের

ডিমে ডজনে কমল ১০ টাকা, মাছ-মুরগিতে ফেরেনি স্বস্তি

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমে ১০ টাকা কমেছে। তবে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আর পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছে কিনতে প্রতি কেজিতে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৩০ টাকা। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহের মতো আজকে ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

রায়ের বাজারে ডিম ব্যবসায়ী মাছুম বলেন, ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। আজকে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা, আর ব্রাউন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা মাকসুদুন নবী বলেন , বাজারে মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে, বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। মুরগি ও মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো কমতি নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা মহিউদ্দিন বলেন, মাছের দাম ঠিক নাই। এখন একদর, বিকেলে আরেক দর। মাছ বেশি আসলে দাম কমে, কম আসলে দাম বাড়ে। ক্রেতা, সরবরাহ ও আবহাওয়ার উপরও দাম অনেক সময় নির্ধারণ হয়। আজকে কাতলা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি আর শিং ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আজকে মাছও আছে, ক্রেতাও আছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ২৫০ টাকা। ফলে বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার নিয়মিত মাছ কেনাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ১৯০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি। সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla