1. adminbackup@wordpress.org : adminbackup :
  2. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  3. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  4. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এম,পি সরওয়ার আলমগীরের সাথে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ পাহাড়তলীতে আতঙ্কে পরিবার, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন করে প্রাণনাশের ঝুঁকিতে ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন আবুল বশর আবু বাংলাদেশ ওয়েল ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি হলেন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রাণনাশের ও হেনস্থার হুমকি, থানায় জিডি সোনারগাঁও লালন কারু পণ্যর মেলা শুরু চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা শাহিনকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার, সংকটে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সমপ্রীতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অন্যতম শক্তি – জাহিদুল ইসলাম মিঞা সরকারী পোস্ট অফিস হয়ে উকিল নোটিশ ফেরত আসল লয়ারের দপ্তরে সোনারগাঁওয়ে দৈনিক খবরের কাগজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

সেপ্টেম্বরেই আড়াই লাখ টন সার আসছে দেশে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে কিছুদিন অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও দেশে নন-ইউরিয়া সার আমদানি আবার গতি পেয়েছে। আসন্ন রবি ও বোরো মৌসুমের চাহিদা বিবেচনায় সরবরাহ ও মজুদ বাড়াতে চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডিএপি, এমওপি ও টিএসপির সাতটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এসব জাহাজে মোট প্রায় আড়াই লাখ টন সার আসবে। এর মধ্যে মিউরেট অব পটাশ বা এমওপি রয়েছে দেড় লাখ টন, ট্রিপল সুপার ফসফেট বা টিএসপি ৬০ হাজার টন এবং ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট বা ডিএপি ৪০ হাজার টন।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের চালানের পর আগামী মাসেও ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি নিয়ে আরও প্রায় ১০টি জাহাজ দেশে আসার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, চলতি মাসে মরক্কো থেকে ৬০ হাজার টন টিএসপি নিয়ে দুটি জাহাজ দেশে আসবে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ৮ সেপ্টেম্বর এবং অন্যটি ১১ সেপ্টেম্বর পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একই দেশ থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি নিয়ে আরও একটি জাহাজ ৮ সেপ্টেম্বর দেশে পৌঁছাতে পারে।অন্যদিকে রাশিয়া ও কানাডা থেকে চলতি মাসে মোট দেড় লাখ টন এমওপি আমদানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন করে দুই চালানে মোট ৭০ হাজার টন এবং কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন করে দুই চালানে ৮০ হাজার টন এমওপি আসছে।

চারটি চালানের মধ্যে দুটি জাহাজ চলতি সপ্তাহে এবং বাকি দুটি ১৩ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিএডিসির হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের পিক মৌসুমে ডিএপির চাহিদা দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ ২৭ হাজার টন। এর বিপরীতে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি প্রক্রিয়াধীন ও আলোচনাধীন রয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার টন ডিএপি।

একই সময়ে এমওপির চাহিদা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৭২ হাজার টন। এর বিপরীতে আমদানি প্রক্রিয়াধীন ও আলোচনাধীন রয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার টন। টিএসপির চাহিদা ৫ লাখ ১৯ হাজার টন হলেও এর বিপরীতে চূড়ান্ত আমদানি প্রক্রিয়া ও জিটুজি চুক্তির আওতায় আলোচনাধীন রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন।

বিএডিসির সার আমদানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতি মাসে ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি নিয়ে ১০ থেকে ১২টি জাহাজ দেশে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। সেপ্টেম্বরের চালানগুলো ইতোমধ্যে দেশের পথে রয়েছে। অক্টোবরের কয়েকটি চালানের লোডিং শেষ হয়েছে এবং বাকিগুলো লোডিং পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী চালান নিশ্চিত করতে দ্রুত ঋণপত্র খোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অক্টোবরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে সারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময় শীতকালীন সবজি, আলু, পেঁয়াজ ও ভুট্টার পাশাপাশি বোরো ধানের আবাদ শুরু হয়। বছরের মোট সারের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ এই মৌসুমেই হয়ে থাকে। তাই চাহিদার সময় বিবেচনায় এখন থেকেই সরবরাহ ও মজুদ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এর আগে আমন মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলায় সার না পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। কুড়িগ্রামে ডিলারের গুদাম ভেঙে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে কয়েকজন কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দাবি, দেশে সারের কোনো সংকট নেই।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, সার আমদানি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং চাহিদা অনুযায়ী প্রতি মাসেই প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার আমদানি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরব ও কাতার থেকে কিছুদিন সার আমদানি ব্যাহত হলেও বর্তমানে বিকল্প উৎস থেকে সার আনা হচ্ছে। ফলে সার আমদানে কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla