1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
দক্ষিণ পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় : বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হট্রগোল শিক্ষার্থীরা কি সংবর্ধনা পেলেন, কি শিখলেন ? - পূর্ব বাংলা
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
 জসিম উদ্দিন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত সংবর্ধিত ইবিএল চেয়ারম্যান শওকত আলীর বিরুদ্ধে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ দুদকের জন্য বরাদ্দ ১৯৭ কোটি টাকা চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের বাজেট বিবৃতি সিডিএ’র চেয়ারম্যান হলেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন ‘জীবন ও কর্ম’ নিয়ে আলোচনা সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন  মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত চট্টগ্রামের তারকা সাংবাদিক, দেশ ও জাতির অহংকার  চকবাজার ব্লাড ডোনার’স ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সিএমপির তিন পুলিশ পরিদর্শককে বদলি বর্ষিয়ান সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকতের ৭২তম জন্ম বার্ষিকী আজ

দক্ষিণ পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় : বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হট্রগোল শিক্ষার্থীরা কি সংবর্ধনা পেলেন, কি শিখলেন ?

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হট্টগোল লেগে পুরাে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে গেছে। আনন্দের স্থলে বিষাদে চেয়ে গেছে অনুষ্ঠানের উপস্থিত সকলের মুখ। কিংকর্তব্যবিমুর হয়ে পড়েন অনেকে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে  এস.এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিলে।  ১৯ এপ্রিল রবিবার সকাল ১১টায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্কুল হল রুমে শ’শ ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক মন্ডলী , অতিথিবৃন্দ ও সুধীমহলের সামনেই এই হট্টগোল সৃষ্টি হয়। হট্টগোলের মূল ব্যাক্তি স্বয়ং স্কুল ভুমিদাতার ভাইপো জামাত নেতা হানিফ মোল্লা নিজেই।

জানা গেছে, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পতেঙ্গা থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি  অর্থমন্ত্রীর কাছের লোক নুরুল আবছার স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বলেছিলেন ভুমিদাতার ভাইপো জামাত নেতা হানিফ মোল্লাকে অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দিতে। এই তথ্য প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে হানিফ মোল্লা সহ তার সমর্থকেরা জেনে যায়। তখন থেকে  নুরুল আবছারের উপর তাদের ক্ষোভ ও রাগ বাড়তে থাকে। এ প্রসংগে হানিফ মোল্লা আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, ভুমিদাতাদের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দিতে স্কুল শিক্ষককে পরামর্শ দেবার নুরুল আবছার কে ? এইজন্য অনুষ্ঠানের উপস্থিত  সকলে হই হােল্লা করে প্রতিবাদ করেছেন। তখন নুরুল আবছার নিরব ছিলেন। বিষয়টি কেউ বুঝেছে আবার কেউ বুঝেনি। এভাবে হট্টগোলের মধ্য দিয়ে  বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল শেষ হয়।

এখন প্রশ্ন হলো এই রকম অনুষ্ঠান থেকে  শিক্ষার্থীরা কি সংবর্ধনা পেলেন আর  কিই বা শিখলেন ?

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মঞ্চের  সামনের সারিতে বসেছিলেন বিদ্যালয়ের শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানুষের জীবন গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পড়াশোনার জায়গা নয় বরং এটি মানুষকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মুল্যবোধ শেখানোর কেন্দ্রও। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞানই একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তত করে তোলে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা শেখা মানে জীবনের প্রতিটা কাজে শৃঙ্খলা আনা। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের স্বপ্নের মানচিত্র আঁকার প্রথম জায়গাও এটি। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদায় অনুষ্ঠান একটি আবেগময় মুহুর্ত, যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহপাঠীদের প্রতি ভালোবাসা, বিদ্যালয়ের স্মৃতি , শিক্ষকদের অবদান, ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন, শুভ কামনা উপস্থাপনে উঠে আসে। এমন গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যালয়ের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান চলাকালে দক্ষিণ পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে অপ্রীতিকর ঘটনায় এলাকা ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আজম থেকে আমাদের প্রতিনিধি এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনুষ্টানের একদিন আগে নুরুল আবছার কল দিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করেন অনুষ্ঠানে দাওয়াত করেছেন কাদেরকে ? তখন তিনি নুরুল আবছারকে বলেন, হানিফ মোল্লাকে বিশেষ অতিথি হিসাবে দাওয়াত দেয়া হয়েছে। নুরুল আবছার প্রধান শিক্ষককে তখনই বলেন, হানিফ মোল্লাকে যেন দাওয়াত দেওয়া না হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক হানিফ মোল্লাকে অনেক আগেই দাওয়াত দিয়ে রেখেছেন।

অনুষ্ঠান শুরু হলে নুরুল আবছার প্রধান শিক্ষককে হানিফ মোল্লার নামও উপস্থাপন না করতে নিষেধ করেছেন।সেই কারনে হানিফ মোল্লা মেজাজ হারিয়ে উত্তেজিত হয়ে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়  তার পারিবারিক অবদান তুলে ধরেছেন এবং কী কারনে নুরুল আবছার এমন দু:সাহস দেখাচ্ছেন, সেটা জিজ্ঞেস করে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, তার জেঠা এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে নুরুল আবছার ও হানিফ মোল্লা দুই দলের মতাদর্শের হওয়ার কারনে এমন ঘটনা ঘটেছে । তবে প্রধান শিক্ষকের রাজনৈতিক মতাদর্শ জানা যায়নি।
পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধি প্রধান অতিথি নুরুল আবছার থেকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম। হানিফ মোল্লা জামায়েত ইসলামীর নেতা, সেটা তাদের জামায়াতের বিষয়। তিনি উত্তেজিত হয়ে কি বলছেন কি হয়েছে তা নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করছি না। আমি কিছুই বলবো না। উপস্থিত যারা ছিলেন তারা দেখেছেন তারা ভালো জানবে ও তারা ভালোই বলবে।
পূর্ব বাংলা প্রতিনিধি হানিফ মোল্লার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, দক্ষিণ পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় নিজেদের পারিবারিক জমিতে গড়ে ওঠা একটি বিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে হানিফ মোল্লাকে দাওয়াত না দিতে প্রধান শিক্ষককে চাপ দেওয়া রাজনৈতিক হীনমন্যতারই পরিচয়।
যখন আমি উত্তেজিত ছিলাম নুরুল আবছার তখন চুপ ছিলেন, তারপরও তার সম্মান তাকে দিয়েছি আমরা। নুরুল আবছারকে অত্র এলাকার মানুষ ও শিক্ষকগণ ওইদিন বয়কট করেছে।

অনুষ্ঠানে নাজমুল হুদা নাজিম, জিয়াউর রহমান মিয়া,কাজি জিয়া উদ্দিন সোহেল সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla