1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পাউবো'র ‘নিরব খাদক’ প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা  - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বাঁশখালীতে এনজিও ব্যুরো প্রধান ড. জাকারিয়া চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনে কাজ করা হচ্ছে মৌলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ বাণীগ্রামে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬তম আবির্ভাব উৎসব উদযাপন পরিষদ গঠিত  চট্টগ্রামে বাজার তদারকিতে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা জরিমানা আদায়, অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ৯৭ শতাংশ এআই সুবিধাসহ এক্স৭ডি স্মার্টফোন নিয়ে আসছে অনার,  বুকিং ৪ অক্টোবর থেকে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাটে দুদকের অভিযান চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন মাহবুবের রহমান শামীম বন্যা কবলিতদের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকার ঔষধ দিলেন চট্টগ্রামের হাজারী লেইনের ব্যবসায়ীরা বোয়ালখালীর পোপাদিয়ায় গ্রাম পুলিশ’র উপর হামলা; থানায় ভুক্তভোগীর অভিযোগ চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে

পাউবো’র ‘নিরব খাদক’ প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা 

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

 বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) এক নিরব খাদকের নাম প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা। যিনি নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে লুট করেছেন কোটি কোটি টাকা। কমিশনের এই টাকায় নিরবতা পালন করেছেন প্রকল্প কাজের অনিয়মে। এ সুযোগে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছেন ঠিকাদাররাও।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে ৭-১০% পর্যন্ত কমিশন নেন। কমিশন ছাড়া তিনি ফাইলে স্বাক্ষর করেন না। এ সুবাধে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ পাওয়া ঠিকাদাররাও নিজের ইচ্ছেমত কাজ করেছেন। যা ছিল অনিয়মে ভরা। ফলে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ বছর না ঘুরতেই ধসে তলিয়ে গেছে।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে কর্ণফুলী নদীর তীর সংরক্ষণে একাধিক প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর সবকটি ৫০০ কোটি টাকা থেকে এক হাজার কোটি টাকারও বেশি ছিল। এছাড়া রাউজানে হালদা নদীর তীর সংরক্ষন, রাঙ্গুনিয়ায় ইছামতি নদীর তীর সংরক্ষণ ও রাঙামাটি-কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্প বাজস্তবায়ন কাজ রয়েছে। এছাা চট্টগ্রাম মহানগরে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় মদুনাঘাট থেকে চাক্তাই পর্যন্ত হালদা ও কর্ণফুলী নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্পের কাজ বাস্তায়ন হয় এই প্রকৌশলীর তত্ত্ববধানে। যা ২০১৯ সাল থেকে এই প্রকল্পগুলোর কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। এসব প্রকল্পের বরাদ্দ ছিল প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছ্।
বর্তমানে বোয়ালখালী উপজেলায়ও প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলী নদীর তীর সংরক্ষন, এবং সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কুরমাই খান প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরার তত্ত্বাবধানে। এসব প্রকল্প তিনি সর্বনিম্ম ৭% হারে কমিশন নিলেও প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়েছেন তিনি। এ সুযোগে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ঠিকাদাররাও প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজে নানা অনিয়ম করে কোটি কোটি টাকা লুট করেছেন।
সূত্র আরও জানায়, নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরার সাথে প্রকল্পগুলোর ঠিকাদাররাও শত কোটি টাকার মালিক। তবে এই লুটতে রাঙ্গুনিয়ার সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের অসভ্য নেতা হিসেবে পরিচিত ড. হাসান মাহমুদকেও দিয়েছেন কোটি কোটি টাকা দিয়ে বশে রাখতেন চতুর এই প্রকৌশলী।
বিগত ১৭ বছর ধরে হাসান মাহমুদের মেশিন চাঁটলেও বর্তমানে তিনি হাসান মাহমুদের এন্টি হয়ে গেছেন। বোল পাল্টিয়ে সুর মেলাচ্ছেন বিএনপি সমর্থনে। যা তদন্ত করলে নিরব খাদক দূর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা ও ঠিকাদারদের মুখোশ খুলে যাবে। একই সাথে প্রকল্প কাজের সকল অনিয়ম বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে জানার জন্য পূর্ব বাংলা অফিস থেকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।  তবে অন্য গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন, এই চেয়ারে বশে কোন রকম কমিশন ছাড়া প্রকল্প কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে সেটা আমি বলব না। সেটা কেউ বিশ্বাস করবে না। কথায় আছে মাছের রাজা পাবদা, চাকরির রাজা ওয়াপদা।
তিনি ওই সময় আরো  বলেন, হাসান মাহমুদকে বশে রাখতে হয়েছে, তাও মিথ্যা না। তিনি মন্ত্রী ছিলেন। তাই তাঁকে সন্তুষ্ট রাখতে হয়েছে। তবে এসব লিখে লাভ কি? নিউজ-টিউজ করার দরকার কি? আপনার জন্য আমি কি করতে পারি সেটা বলুন।
      এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) খ ম মো. জুলফিকার তারেক মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla