1. banglapostbd@gmail.com : admin :
  2. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
  3. admin@purbobangla.net : purbabangla :
চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চট্টগ্রাম রোটারি সেন্টারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সরওয়ার জামান নিজাম পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসম্প্রদায়িক উৎসব চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী হাড্ডি কোম্পানির জায়গা হিসেবে পরিচিত পানওয়ালা পাড়ায় সিডিএর অভিযান যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিলন মারামারি ও বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট বন্দর চুক্তি ও একতরফা বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ও রইস হত্যার বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে ইসলামী ফ্রন্টের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল চন্দনাইশে ওয়ারেন্টভুক্ত ২জন আসামী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

এম. আলী হোসেন
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ঐতিহাসিক ফিরিঙ্গিবাজার হলো পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গিদের আস্তানা থেকে গড়ে ওঠা একটি প্রাচীন এলাকা। বর্তমানে এটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনস্থ ৩৩নং ওয়ার্ড। এককালে পর্তুগিজদের লুটপাট ও আধিপত্যের কারণে এলাকাটি পরিচিতি পায় এবং বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও আবাসিক এলাকা।

এলাকাটি কাঠ ও ফলের আড়তের বাজারের জন্য দেশব্যাপী পরিচিত। জানে আলম দোভাষ, রাজনীতিবীদ ইদ্রিস বিকম, লায়ন শামশুল হক ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর নুরুল ইসলাম জেহাদী এই এলাকায় থাকতেন। এসব বর্ণাঢ্য ব্যাক্তিরা কেউ এখন বেঁচে নেই । জানে আলম দোভাষ পরিবারের ছেলে ডলফিন দোভাষ ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তপক্ষের চেয়ারম্যান ছিলেন।

ফিরিঙ্গি বাজার ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৫ বর্গ কিলোমিটার ।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মধ্যাংশে ফিরিঙ্গি বাজার ওয়ার্ডের অবস্থান। এর পূর্বে ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ড  উত্তরে ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড, পশ্চিমে ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ড এবং দক্ষিণে কর্ণফুলী নদী ও কর্ণফুলী উপজেলার চর পাথরঘাটা ইউনিয়ন অবস্থিত।
সরকারি তথ্যমতে, নগরীর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের মোট জনসংখ্যা ২৬,৬২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪,৩৩১ জন এবং নারী ১২,২৮৯ জন। মোট পরিবার রয়েছে ৫,৭৭৪টি।

ফিরিঙ্গি বাজার চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাজার এলাকা যা ১৯৩৭ সালে স্থাপিত হয়।এক সময় এটি পর্তুগিজ চট্টগ্রাম এর গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ছিল, যার নাম ছিল “ফিরিঙ্গি বন্দর”। এই ফিরিঙ্গি বন্দরের নাম থেকেই ফিরিঙ্গি বাজার নামটি এসেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এর সময় এলাকাটিতে একটি অস্থায়ী ব্রিটিশ ঘাঁটিও ছিল।

ফিরিঙ্গি বাজার এলাকাটি একসময় আরাকানের ম্রক উ রাজ্যের অধীনে ছিল। পরে বাংলার সুলতানরা এ অঞ্চলটির উপর অধিকার করে নেয়।

১৬শ শতকের প্রথম দিকে চট্টগ্রামে পর্তুগিজ ব্যবসায়িদের অনুপ্রবেশ ঘটে। তৎকালিন চট্টগ্রামের শাসককর্তা ছিলেন শাহী বাংলা এর সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ। ১৫২৮ সালে পর্তুগিজরা সুলতানের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে চট্টগ্রামে পোর্তো গ্রান্দে দি বেঙ্গলা নামে একটি বাণিজ্য ঘাঁটি স্থাপন করে। পর্তুগিজরা বণিকরা এ অঞ্চলে “ফিরিঙ্গি” নামে পরিচিত ছিলো। স্থানীয় চাঁটগাঁইয়া ভাষা তে “ফিরিঙ্গি” অর্থ ‘বিদেশি’। পর্তুগিজরা তখন ফিরিঙ্গি বন্দর নামে চট্টগ্রামে একটি বাণিজ্য বন্দরও গড়ে তুলেছিল, যেটা ছিল উক্ত “পোর্তো গ্রান্দে দ্য বেঙ্গলা” (Porto Grande de Bengala) নামক পর্তুগিজ উপনিবেশটির (বাণিজ্য ঘাঁটি) প্রধান শহর বা রাজধানী।

১৫৩৭ সালের দিকে শের শাহের আক্রমণে ভীত হয়ে সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ সামরিক সাহায্যের বিনিময়ে পর্তুগিজদের চট্টগ্রামে বাণিজ্য কুঠি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের শুল্ক আদায়ের অধিকার প্রদান করেন। ফলে পর্তুগিজরা দিয়াং এ বাণিজ্য কুঠি এবং গির্জা নির্মাণ করার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরে শুল্ক সংগ্রহ কেন্দ্র এবং পণ্যসামগ্রীর আড়ত স্থাপন করেন।

পরবর্তীকালে এলাকাটি ফিরিঙ্গিদের নামানুসারে ‘‘ফিরিঙ্গি বাজার’’ নামে পরিচিতি লাভ করে। নগরীর বাণিজ্যিক এলাকার পাশাপাশিই ভৌগোলিক দিক থেকেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ডে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে তারা মাঠে-ময়দানে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ঈদ, রমজান, পূজা-পার্বণসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজে

দের প্রার্থিতা ঘোষণা করছেন। কেউ কেউ আবার প্রকাশ্যে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙিয়েও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আকতার খান,কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ছাদেকুর রহমান রিপন এবং নগর যুবদলে

র সাবেক সহ-সম্পাদক মেজবাহ উদ্দীন চৌধুরী মিন্টু। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী কোতোয়ালী থানা নেতা জাহেদ ওসমান রনি, ওয়ার্ড জাতীয় পাটির সভাপতি ইসহাক মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হোসেনসহ বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla