1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২, প্রায় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২, প্রায় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের আসামে চলমান ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে পৌঁছেছে। রাজ্যের পাঁচটি জেলায় এখনো বন্যার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। শনিবার (১ আগস্ট) রাজ্যের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় দুই লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি অবস্থায় আছেন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শিবসাগর, গোলাঘাট, জোরহাট, নগাঁও ও চরাইদেও জেলায়। বৃহস্পতিবারের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে গেলেও এখনো দুই লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুসারে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর জন্য রাজ্য সরকার একাধিক ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন, গবাদিপশু ও সম্পত্তির বীমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বীমা কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে স্থগিতাদেশ দিতে বলা হয়েছে।

গোলাঘাট, শিবসাগর ও নুমালিগড়ে দিখৌ ও ধানসিরি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব এলাকায় জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

রাজ্যে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ ৫৪টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। আরও ২৬টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫ হাজার ৩৮৪ জনকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সরকার ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়ন করে মেরামতের জন্য তহবিল বরাদ্দ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

শিবসাগর ও চরাইদেও থেকে নতুন করে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা ৮২-এ পৌঁছেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ ৯২ হাজার ৭৯৯ জনের মধ্যে চরাইদেওতে সবচেয়ে বেশি ৭৭ হাজার ৪৫৬ জন। এরপর শিবসাগরে ৬৩ হাজার ৪৯২ জন এবং জোরহাটে ৩৪ হাজার ৬৭ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আগামী ৫ আগস্ট বেসরকারি ও সরকারি বীমা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে রাজ্য মন্ত্রিসভা। একই দিনে এনবিএফসিগুলোর সঙ্গেও বৈঠক হবে। শিবসাগর, চরাইদেও, জোরহাট ও গোলাঘাটের ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধ স্থগিত রাখতে তাদের অনুরোধ জানানো হবে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla