২২ শে সেপ্টেম্বর (২০২৬) ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি এ.এম. সায়েম এর আমলে ডেমোক্রেটিক লীগ ‘রাজনৈতিক দল বিধি’ (পিপিআর)’র আওতায় নিবন্ধন লাভ করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর ১৯৭৬ সালের প্রথম দিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমাদ, ভাষা আন্দোলনের নেতা অলি আহাদ, পীর মোহসেন উদ্দিন দুদু মিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি মাহমুদ উল্লাহ, শাহ মুয়াজ্জম হোসেন, কে.এম. ওবায়দুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, আলহাজ্ব মাহমুদুন্নবী চৌধুরীসহ সমমনা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পেশাজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী, ধর্মীয় ভাবধারা এবং ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যের প্রতি গভীরভাবে আস্থাশীল হয়ে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয় এবং সকলে মিলে ডেমোক্রেটিক লীগ গঠন করেন। ডেমোক্রেটিক লীগের প্রথম কমিটিতে সভাপতি ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন অলি আহাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহ মুয়াজ্জম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম. ওবায়দুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক আল মুজাহিদী, দপ্তর সম্পাদক এটিএম ওয়ালী আশরাফ, প্রচার সম্পাদক ডা. আবু হেনাসহ সর্বমোট ৬৫ জন দেশবরেণ্য ব্যক্তি কমিটিতে ছিলেন। ১৯৭৭ সালে ডেমোক্রেটিক লীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তৎকালীন সরকার। ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্নজন বিএনপি ও জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেও শেষ পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের নেতা অলি আহাদ ডেমোক্রেটিক লীগের হাল ধরে রাখেন। তাঁর মৃত্যুর পর বর্তমানে তাঁরই আমলের সহ-সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীণ সাংবাদিক নেতা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ডেমোক্রেটিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীণ সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রের লাঞ্চিত পতাকাকে শক্তভাবে তুলে ধরে রাখতে সকলকে সংকীর্ণ ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে।
ডেমোক্রেটিক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং পরলোকগত নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।