1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
 ২০ দিনে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় হেঁটে গেলেন ফাহিম মুনতাসি - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

 ২০ দিনে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় হেঁটে গেলেন ফাহিম মুনতাসি

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

হাঁটা সুস্থ জীবনের ভিত্তি, আর পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
‘কালো ধোঁয়া আর নয়, হেঁটেই করব দূরত্ব জয়’-এই ব্যতিক্রমী স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের সর্ব দক্ষিণের টেকনাফ থেকে সর্ব উত্তরের তেঁতুলিয়া পর্যন্ত প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পথ হেঁটে পরিবেশ সচেতনতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তরুণ ফাহিম মুনতাসির। টানা ২০ দিনের পদযাত্রা শেষে ৩০জুলাই বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পৌছান। ২৬ বছর বয়সি ফাহিম মুনতাসির ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা। তিনি মো. মফিজ মিয়া ও মাহমুদা আক্তার চৌধুরী দম্পতির বড় ছেলে। ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন ‘সোনালী সকাল’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
পদযাত্রা শেষে মোবাইল ফোনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফাহিম বলেন, আমার লক্ষ্য শুধু গন্তব্যে পৌঁছানো ছিল না। পথে পথে মানুষের সঙ্গে পরিবেশ, প্রকৃতি ও সুস্থ জীবনযাপন নিয়ে কথা বলেছি। মানুষ আমাকে আন্তরিকভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। এই বার্তা মানুষের কাছে পৌছে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।
তিনি বলেন, পরিবেশ ধ্বংসের নানা চিত্র তার চোখে পড়েছে। বনাঞ্চলে
বন্যপ্রাণী হত্যা, বিশেষ করে হাতির দাঁতের জন্য হাতি নিধন এবং লোকালয়ে উঠে আসা সাপ নির্বিচারে হত্যার বিষয়গুলো তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
১০ জুলাই টেকনাফের শাপলা জিরো পয়েন্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করেন ফাহিম। শুরুতে তার সঙ্গে আরও দুই সহযাত্রী থাকলেও ফেনীতে এসে তারা যাত্রা শেষ করেন। এরপর একাই বাকি পথ অতিক্রম করেন তিনি। যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে বীজ বপন ও বৃক্ষরোপণ করে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তাও ছড়িয়ে দেন। নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে ফাহিম বলেন, এই পদযাত্রা কোনো রেকর্ড গড়ার জন্য নয়। এটি সুস্থ জীবন, হাঁটার অভ্যাস এবং পরিবেশ রক্ষার একটি ছোট্ট আহ্বান। আমরা যত কম হাঁটছি, ততই অসুস্থতা বাড়ছে। অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার বাড়াচ্ছে বায়ুদূষণ ও জলবায়ু সংকট। তাই অল্প দূরত্বে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন হলে গণপরিবহণ ব্যবহার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, আমি চাই মানুষ আমাকে নয়, আমার বার্তাটিকে মনে রাখুক। হাঁটা সুস্থ জীবনের ভিত্তি, আর পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla