1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পতেঙ্গা এখন দখলদার ও গাজাখোরদের আস্তানা: সিডিএ, চসিক ও জেলা প্রশাসনের চরম দায়িত্বে অবহেলায় কোটি কোটি টাকার হরিলুট! - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

পতেঙ্গা এখন দখলদার ও গাজাখোরদের আস্তানা: সিডিএ, চসিক ও জেলা প্রশাসনের চরম দায়িত্বে অবহেলায় কোটি কোটি টাকার হরিলুট!

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

অভি পাল

উত্তাল সাগরের নীল জলরাশি আর মুক্ত বাতাসের সেই চিরচেনা পতেঙ্গা আজ স্রেফ এক অতীত স্মৃতি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ও জেলা প্রশাসনের চরম দায়িত্বে অবহেলায় পতেঙ্গা এখন রূপ নিয়েছে দুর্গন্ধ, ময়লা আর অন্যায়ের এক জঘন্য ভাগাড়ে! সরকারি মেগা প্রকল্পের হাজার কোটি টাকা জলে ঢেলে গড়ে তোলা এই দৃষ্টিনন্দন সৈকত আজ অভিভাবকহীন। তিনটি দায়িত্বশীল সংস্থার চোখের সামনেই পুরো এলাকা গিলে খেয়েছে অবৈধ দখলদার সিন্ডিকেট, যার মাশুল গুনতে হচ্ছে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ ভ্রমণ পিপাসুদের।
যেখানে সারি সারি নান্দনিক ফুলের বাগান থাকার কথা ছিল, তদারকি ও দেখভালের চরম অবহেলায় তা আজ পরিণত হয়েছে বিষাক্ত আগাছা আর ঝোপঝাড়ের অভয়ারণ্যে। সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ উন্মোচিত হয় সন্ধ্যা নামলেই; পুরো সৈকতের অকেজো লাইটপোস্টগুলো দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না করায় যেন অপরাধীদের জন্য লাল গালিচা সংবর্ধনা সাজানো হয়েছে ! অন্ধকারের এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সৈকতজুড়ে প্রকাশ্যে চলে গাঁজাসেবী, মদপায়ী ও ছিনতাইকারী চক্রের তাণ্ডব—যা দেখেও প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর নীরব ভূমিকা সাধারণ মানুষকে বাকরুদ্ধ করে তোলে।
হাঁটার পথ থেকে শুরু করে মূল পাড়—সবটাই এখন তোলাবাজ সিন্ডিকেটের দখলে, যেখানে মোটা অঙ্কের চাঁদার বিনিময়ে অবৈধ দোকান বসিয়ে পর্যটকদের হাঁটার জায়গা পর্যন্ত দখল করে রাখা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ন্যূনতম বালাই নেই পুরো সৈকতজুড়ে। আর জেলা প্রশাসনের মাঝে মধ্য চলে লোক দেখানো  অভিযান?  তা স্রেফ এক হাস্যকর তামাশা ও প্রচারমুখী নাটকমঞ্চ! জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি এলাকা ছাড়ার ঠিক ১০ মিনিটের মাথায় দখলদার ও অপরাধীরা দ্বিগুণ উৎসাহে আবার জায়গা দখল করে নেয়, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অবহেলা ও চরম ব্যর্থতাকেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই সম্পদকে আর কতদিন সরকারি সংস্থাগুলোর এমন নির্লজ্জ প্রশাসনিক গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার মাশুল গুনতে হবে? ফটোশুট মার্কা উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করে সিডিএ, চসিক ও জেলা প্রশাসনকে অনতিবিলম্বে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে—কঠোর স্থায়ী পুলিশি পাহারা, লাইট মেরামত এবং অবৈধ দখলদারদের চিরতরে উপড়ে ফেলার কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভের আগুনে ছাই হয়ে যাবে সব উন্নয়ন।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla