ঢাকার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ৭ জানুয়ারি ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ মঞ্চে ১২০০ জন নিহত ও আহত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল ক্রেস্ট আর ৫০ হাজার টাকার চেক।
প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে দলীয় প্রার্থী আসলাম চৌধুরী। অনুষ্ঠানের আয়োজক তার একমাত্র কন্যা মেহরীন আনহার উজমা। চেকে স্বাক্ষরও তার।
কিন্তু অনুষ্ঠানের তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেই চেক ভাঙাতে গিয়ে বারবার ফিরতে হচ্ছে ব্যাংক থেকে। হিসাবে টাকা না থাকায় একের পর এক চেক বাউন্স হচ্ছে। সবমিলিয়ে ১২০০ জনের জন্য মোট ৬ কোটি টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানে।
এ নিয়ে পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে আসলাম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ১৬ জানুয়ারি ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু ১৮ জানুয়ারি ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, হিসাবে মাত্র ২০ হাজার টাকা রয়েছে। এরপর থেকে আজ-কাল-পরশু করে সময় নেওয়া হয়। এতে সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো বারবার ব্যাংকে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
পরে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে টাকা না দিলে আন্দোলনের ডাক দেওয়ার কথা জানানো হলে ৩ ফেব্রুয়ারি টাকা জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সেদিনও ব্যাংকে গিয়ে চেক বাউন্স হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সবাইকে আবার ব্যাংকে যেতে বলা হয়। কিন্তু সকাল সাড়ে ১০টায় গিয়ে দেখা যায়, হিসাবে মাত্র ১৬ হাজার টাকা রয়েছে।
আসলাম চৌধুরীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৫৭ কোটি টাকা। বর্তমানে তার মোট ঋণ প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা।






