1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
গাজীপুরের আলোচিত ৫ খুন মামলার আসামির মরদেহ উদ্ধার - পূর্ব বাংলা
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিদ্যালয়  কল্পলোক আবাসিকে সিডিএ’র উচ্ছেদ অভিযান: নকশাবহির্ভূত ভবন সিলগালা, অবৈধ অংশ গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন এক হাজার টাকায় শুরু হতে পারে বিনিয়োগ: প্রমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘বৃদ্ধি’ ও ‘লংকাবাংলা’র মাস্টারক্লাস বন্দরে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু লায়ন্স জেলা ৩১৫-‌বি৪ এর ক্লাব অ‌ফিসার্স স্কু‌লিং প্রোগ্রাম ‌সমাপ্ত পটিয়ায় ট্রাক থেকে চুরির সময় চোরাইমাল ও সিএনজিসহ ১ আটক পতেঙ্গায় চার্জরত মোবাইলের বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ইকবাল হোসের মৃত্যু টিআই কাউসারের নেতৃত্বে পতেঙ্গায় অবৈধ গাড়ী আটক সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে 

গাজীপুরের আলোচিত ৫ খুন মামলার আসামির মরদেহ উদ্ধার

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, শ্যালক ও তিন সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার (৪০) মরদেহ মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার ঘোড়দৌড় বাজার সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও লৌহজংয়ের মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি (ইনচার্জ) মো. ইলিয়াস।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, পদ্মা সেতু থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে লৌহজং উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন বাজারের পাশে দুপুরে পদ্মায় একটি ভাসমান মরদেহ দেখে স্থানীয়রা নৌ পুলিশকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় মাওয়া নৌ পুলিশ নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ফোরকান মোল্লার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার ভাই আব্দুল জব্বার ও কাপাশিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত জুবায়ের রহমান উদ্ধার হওয়া মরদেহটি অভিযুক্ত ফোরকানের বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেন। মরদেহটি উদ্ধার শেষে গাজীপুরের পুলিশের হেফাজতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু থেকে লাফ দিয়ে আলোচিত হত্যা মামলার আসামি ফোরকানের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে সরকারিভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা আসলে আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে নদীজুড়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করি।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস জানান, আজ শনিবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় খবর পাঠানো হলে মামলার বাদী, ফোরকানের পরিবারের সদস্য ও তদন্ত কর্মকর্তা লাশটি প্রাথমিকভাবে ফোরকানের বলে ধারণা করেন।

নৌ পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, মরদেহটি বেশকিছু দিন পানিতে থাকায় অর্ধগলিত হয়ে গেছে। তাই পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত হতে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সেটি সম্ভব না হলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা পদ্মা সেতু থেকে নদীতে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।

পুলিশ জানায়, গত সোমবার (১১ মে) মেহেরপুরে একটি যাত্রীবাহী বাসের হেলপারের কাছ থেকে ফোরকানের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ওই হেলপার জানান, ফোনটি তিনি পদ্মা সেতুতে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন। এই সূত্র ধরে পুলিশ পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে।

ফুটেজে দেখা যায়, একটি প্রাইভেটকার থেকে এক ব্যক্তি নেমে তার মোবাইলটি ফুটপাতে রাখেন। এরপর দুই-তিন মিনিট অপেক্ষা করে তিনি রেলিং টপকে নদীতে লাফ দেন। ভিডিওটি দেখে মামলার বাদী ও ফোরকানের ভাই লাফ দেওয়া ব্যক্তিটি ফোরকান বলেই ধারণা করেন। তবে চেহারা স্পষ্ট না থাকায় তখন শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, ৯ মে হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকানকে গ্রেফতারে পুলিশের তিনটি দল অভিযানে নামে। একটি দল গোপালগঞ্জে ফোরকানের গ্রামের বাড়ি এবং আরেকটি দল বেনাপোলে যায়, যাতে সে সীমান্ত পার হতে না পারে। তবে উদ্ধার হওয়া মোবাইলটি যে ফোরকানের, তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই হত্যাকাণ্ডে ফোরকান ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

গত শনিবার (৯ মে) সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের একটি বহুতল বাড়ি থেকে একই পরিবারের পাঁচজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ব্যক্তিরা হলেন—ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), তাদের তিন সন্তান মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (দেড় বছর) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মোল্লা (২৩)। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান পলাতক ছিলেন।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla