1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণঃ বন কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম নিয়াজীর বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য ও বন উজাড়ের অভিযোগ - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

বনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণঃ বন কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম নিয়াজীর বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য ও বন উজাড়ের অভিযোগ

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর বন বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, ঘুষ-বাণিজ্য এবং বন উজাড়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মাচালং লক্ষীছড়ি পূর্ব ও পশ্চিম রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল
কাইয়ুম নিয়াজী।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত এই কর্মকর্তা বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও উল্টো বনভূমি রক্ষার পরিবর্তে মূল্যবান গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বহু বছরের পুরোনো গাছ নির্বিচারে কেটে পাচার করা হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এসব কর্মকাণ্ডে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টাকার বিনিময়ে বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে বনভূমি ধ্বংসের পাশাপাশি পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বন সংক্রান্ত অনুমোদন, পরিবহন সুবিধা কিংবা অন্যান্য প্রশাসনিক সহযোগিতার জন্যও ঘুষ নেওয়া হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বলেন, “বছরের পর বছর ধরে এসব অনিয়ম চলছে। আমরা একাধিকবার অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ করতে গেলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।”
অভিযোগ রয়েছে, কেউ বন উজাড় বা অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে বাধা ও হুমকির সম্মুখীন হতে হয়। এতে করে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকেই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
এদিকে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এবং প্রাথমিকভাবে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হতে পারে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকারি সম্পদ রক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।
এ ছাড়া বিভিন্ন সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, এই অনিয়মের সঙ্গে আরও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বা চক্র জড়িত থাকতে পারে। ফলে বিষয়টি আরও বিস্তৃত তদন্তের দাবি রাখে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বনভূমি রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সরকারি সম্পদের সুরক্ষায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।  আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী এখানে যোগদানের পর কাঠ পাচার বেড়ে গেছে বলে একটি সুত্র দাবী করছে ।

এই বিষয়ে বন কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী পূর্ব বাংলাকে বলেন অ‌ভিযোগ‌টি সম্পূর্ন মিথ‌্যা, বা‌নোয়াট ও উ‌দ্দেশ‌্য প্রনো‌দিত এবং সামা‌জিকভা‌বে হেয় প্রতিপন্ন করার অপ‌চেষ্টা ।

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla