1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
সামান্য বৃষ্টিতেই চরম ভোগান্তি: হাটুঁ জলে ডুবলো নগরী - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

সামান্য বৃষ্টিতেই চরম ভোগান্তি: হাটুঁ জলে ডুবলো নগরী

হোসেন বাবলা
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ২১ মে, ২০২২
  • ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

বর্ষার আগেই বর্ষার সেই পরিচিত ভোগান্তিতে পড়তে হলো চট্টগ্রামবাসীকে।

২১ মে শনিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলজটের সৃষ্টি হয়। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টিতে ফ্লাইওভারেও জমে পানি। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় অফিসগামীদের।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাতে চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেইট, ষোলশহর, কাতালগঞ্জ, আলকরণ ওয়ার্ডের কিছু জায়গায় জলজটের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষজনকে হাঁটু পরিমাণ পানি মাড়িয়ে এসব এলাকায় চলাচল করতে হচ্ছে। এছাড়া পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অপ্রতুল হওয়ায় বৃষ্টিতে পানি জমেছিল আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের উপরেও। তবে সকাল সাড়ে ১০টার পরে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় পানি নামতে শুরু করেছে।ফ্লাইওভার দিয়ে যাতায়াতকারী যাত্রী ইমু খান বলেন, ফ্লাইওভারের দুই নম্বর গেইট এলাকার অংশে পানি জমে গিয়েছিল। পানি দ্রুত নামার ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে গিয়েছিল। চট্টগ্রামের দুই নম্বর গেট এলাকার আশপাশের এলাকায় হাঁটু পরিমাণ পানি ছিল। এ সময় এই সড়কে পানি প্রবেশ করে অনেক সিএনজি অটোরিকশা বন্ধ হয়ে যায়। চালকদের গাড়ি টেনে নিতে দেখা গেছে।

সিএনজি চালক আফজাল ইসলাম বলেন, দুই নম্বর গেটে হাঁটু পরিমাণ পানির মধ্যে সিএনজি বন্ধ হয়ে যায়। পারভেজ রহমান নামের ষোলশহর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই পানি উঠে গেছে দুই নম্বর গেট এলাকায়। ভারী বৃষ্টি হলে পানি তো আরও বেশি জমবে। প্রতিবছরই বর্ষা এলে আমাদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। পানির কারণে গাড়ি না পেয়ে অতিরিক্ত রিকশা ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। আশেকুর রহমান নামে এক চাকরিজীবী বলেন, সিডিএ থেকেই প্রতিবছরই বর্ষা এলেই বলা হয় এ বছর পানি কম উঠবে। কিন্তু দুই নম্বর গেট এলাকার কোন উন্নতি দেখছি না। এ্রছাড়া নগরীর বন্দর-ইপিজেড, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং,সদরঘাট,আগ্রাবাদ-হালিশহর বড়পোল, ছোটপোল এবং বন্দেরর আনন্দর পাড়া(হালিশহর রোড) এলাকার নিচু অংশে হাটু পানি জমে জলাবদ্ধাতা সৃস্টি হয়ে বলে আক্তার হোসেন নামে এক স্কুল সহকারী জানিয়েছেন। মূল সড়কে সিডিএ-চসিক ও ম্যাক্সের উন্নয়ন কাজের জন্য মোড়ে মোড়ে বৃষ্টির পানি ও কাঁদা জমে চরম দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla