নগরীর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পুলিশ আক্রান্ত মামলার এজাহার নামীয় আসামি জাহিদুল ইসলাম ইমন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হালিশহর থানাধীন বি-ব্লক আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জাহিদুল ইসলাম ইমন নোয়াখালীর কবিরহাট থানার উপরাদলামছি গ্রামের মো. জহিরুল ইসলাম ও কহিনুর বেগমের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের হালিশহর বি-ব্লক রোড-২, পানির ট্যাংকি ও মহিলা মাদ্রাসা এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে ডবলমুরিং থানাধীন দেওয়ানহাট মোড় পুলিশ বক্সের পাশে সড়কে কয়েকটি ম্যাক্সিমা গাড়ি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশ সদস্যরা গাড়িগুলো সরানোর চেষ্টা করলে একটি ম্যাক্সিমা গাড়ির চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে পুলিশ সদস্যের দিকে এগিয়ে আসেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জীবন রক্ষার্থে ওই পুলিশ সদস্য গাড়িটির সামনের চাকার মার্টগার্ডের ওপর উঠে পড়েন। এরপরও চালক গাড়ি না থামিয়ে তাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে থাকেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করার পাশাপাশি তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে চাকার নিচে পিষ্ট করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
পরে সার্জেন্ট মো. সুমনসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে ধাওয়া করেন। এ সময় প্রাণ রক্ষার্থে ওই পুলিশ সদস্য চিৎকার করতে থাকেন। একপর্যায়ে পথচারীরা তার চিৎকার শুনে ডবলমুরিং থানাধীন ঈদগাঁ কাঁচা রাস্তার ওপর গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করেন। তখন চালক গাড়ি থেকে নেমে ওই পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে কৌশলে পালিয়ে যান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
ডবলমুরিং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফ ফয়সলের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. রিদুয়ানুল হক, এএসআই মাসুম হোসেন, এএসআই আসলাম সরকার, এএসআই মো. মেহেদী হাসানসহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় হালিশহর বি-ব্লক আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহিদুল ইসলাম ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।