1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
টেকনাফে ২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

টেকনাফে ২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৭১ বার পড়া হয়েছে

 সেলিম কায়সার, টেকনাফ ,২৬ আগষ্ট
 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে টেকনাফের হাবিরছড়া ঘাটে একটি ফিশিং ট্রলার হতে দুই লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ফিশিং ট্রলারটিও জব্দ করা হয়। আটক ইয়াবার মুল্য ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় এ অভিযান চালানো হয়।
আজ বৃহস্পতিবার ২৬ আগষ্ট  সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোন কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ডিএনসি টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ফিশিং ট্রলার যোগে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর জন্য টেকনাফ হাবিবের ছড়া ঘাটকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে ব্যবহার করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের গোয়েন্দা তৎপরতায় একটি মাদক কারবারি সিন্ডিকেটকে সনাক্ত করা হয়।স্থানীয় মৃত নজির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ হারুন এর মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলার ব্যবহার করে রোহিঙ্গা মাঝি মো. কামালের সহযোগীতায় মিয়ানমার থেকে ইয়াবা চালান এনে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসির বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মুজিবুর রহমান পাটোয়ারির দিকনির্দেশনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের (সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে) একটি বিশেষ টীম বুধবার (২৫ আগষ্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাবিরছড়া ঘাটে অভিযান চালায়। এসময় মোহাম্মদ হারুনের মালিকানাধীন হলুদ রঙের ফিশিং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ২ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা।জব্দ করা হয় হলুদ রঙ্গের ফিশিং ট্রলারটি।অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রলার মাঝি ও ট্রলারের লোকজন কৌশলে পালিয়ে যায়।সহকারী পরিচালক মোঃ সিরাজুল মোস্তফা আরও বলেন, ফিশিং ট্রলার মালিক ও নৌকার মাঝি কামালকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এব্যাপারে ট্রলার মালিক হারুন, রোহিঙ্গা মাঝি মোঃ কামালসহ ৮ জনকে আসামী করে টেকনাফ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানানো হয় প্রেস ব্রিফিংয়ে।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla