1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পুলিশের প্রচেষ্টায় ২ মাস পর শিশু জেমী উদ্ধার ও আটক হলেন অপহরণকারী - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

পুলিশের প্রচেষ্টায় ২ মাস পর শিশু জেমী উদ্ধার ও আটক হলেন অপহরণকারী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

ট্রেনে পরিচয়, অল্প আলাপে ঘনিষ্ঠতা নানীর নিকট হতে নাতনী শিশু জেমী (৩ বছর) কে অপহরণের দীর্ঘ ৬০ দিন প্রচেষ্টার পরে ফেনী জেলার ফেনী সদর থানা এলাকা হতে অপহরণকারী গ্রেফতার ও শিশু জেমীকে উদ্ধার করেছে বন্দর থানা পুলিশ ।
রাজ্যের হাসি আজ জেমীর মায়ের মুখে, তিনি বলেন, আমার জেমীকে আমি পেয়েছি বন্দর থানা পুলিশের সহযোগিতায় । তাদের জন্য আল্লাহর কাছে সব সময় আমি দোয়া করবো ।
জেমীর বাবা বলেন,২ মাস যাবত আমার খাওয়া নেই ঘুম নেই আজ আমার বুকটা শীতল হয়ে গেছে আমার মাকে আমার বুকে পেয়ে । ধন্যবাদ জানাই পুলিশ স্যারদের ও মিডিয়ার ভাইদের, যাদের সহযোগিতায় আমি আমার মেয়েকে ফিরে পেয়েছি ।
জেমীকে উদ্ধারের বিষয়ে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , গত ২২ শে সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১১ঃ৩০ ঘটিকায় শিশু জেমী তার নানীর সাথে কুমিল্লা জেলার লাকসাম হতে ট্রেনে চট্টগ্রা্মে খালার বাসায় উদ্দেশ্যে রওনা করে।
ট্রেনে জেমী কান্না করতে থাকার সু্যোগে অপহরণকারী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন প্রকাশ সুমন (২৭) তাকে কোলে নেয় ।
জেমীর নানির সাথে আলাপ করে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় । জেমীর নানী তার অপর মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী এর বন্দর থানাধীন কলসীদিঘীর পাড়স্থ বাসায় যাবে তা অপহরণকারী কৌশলে জেনে নেয়। অপহরণকারী ও একই এলাকায় যাবে বলে জেমীর নানির বিশ্বাস অর্জন করে।

দুপুর অনুমান ৩ ঘটিকায় ট্রেন চট্টগ্রাম স্টেশনে নামে । লোকাল বাস যোগে ফ্রীপোর্ট এলাকায় আসে । তখনও শিশু জেমি অপহরণকারীর কোলে ছিল । তারা বাস হতে নেমে রাস্তা পার হয়ে কলসি দিঘির রোডে প্রবেশ করে । শিশু জেমীর নানি সামনে হাঁটতে থাকাকালীন অপহরণকারী পিছন দিয়ে শিশু জেমীকে নিয়ে দৌড় দেয় । শিশু জেমী অপহরণের বিষয়টি তার পিতা অবগত হয়ে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে।

বন্দর থানার মামলা নং- ১৩ তারিখ ২৩/০৯/২০২২,ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০( সংশোধন ২০০৩) এর ৭ ধারায় রুজু করা হয়। শিশু জেমীর অপহরণের সংবাদে তদন্তে নামে বন্দর থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম।ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অপহরনকারী সনাক্ত এবং শিশু জেমীকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে বন্দর থানা পুলিশ। শিশু জেমীকে উদ্ধারের প্রচারণার জন্য মিডিয়া কর্মীদের স্মরনাপন্ন হয় বন্দর থানা পুলিশ।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সোর্সের মাধ্যমে ২২ শে নভেম্বর ২০২২ খ্রিঃ অপহরণকারীকে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় বন্দর থানা পুলিশের চৌকস টিম।

পরবর্তীতে অপহরণকারী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন সুমন এর তথ্য মতে, নিঃসন্তান নারী আমেনা আক্তার খালেদা এর লালন পালনে থাকা শিশু জেমিকে ফেনী জেলার ফেনী সদর থানা এলাকা হতে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে অপহরণকারী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন সুমন শিশু জেমীকে তার শালিকার মেয়ে পরিচয় দিয়ে নিঃসন্তান নারী আমেনা আক্তার খালেদা এর নিকট দত্তক দেওয়ার নাম করে ৩০ হাজার টাকা গ্রহণ করে।

পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন এবং উদ্ধারকিত শিশু জেমীকে আদালতের মাধ্যমে তার অভিভাবকের হেফাজতে প্রদানের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে ।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla