1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
মৌসুমের রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম - পূর্ব বাংলা
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মৌসুমের রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশে দেয়ালধসে যুবকের মৃত্যু, শিশুসহ আহত ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্তরা ব্যাংকের কর্মকর্তাকে কুপিয়ে হত্যা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা সোহেল তাজ একজন ‘উন্মাদ ও হিরোইনখোর’: সাবেক রাষ্ট্রদূত হারুন অর রশিদ  কোস্ট গার্ড টেকনাফে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও গান পাউডার উদ্ধার করল  পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ: সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের আশ্রয়ে ভাটিয়ারিতে জুয়ার আসর, পরিচালনা করে রবিউল ও ইব্রাহিম ডিজিটাল জীবনের নীরব বিপদ: মোবাইল নির্ভরতা ও নোমোফোবিয়া বোয়ালখালীতে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতা সোহেলকে হত্যার চেষ্টা বাঁশখালীর ইউপি সদস্য হামিদ ও মান্নান বাহিনীর তাণ্ডবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

মৌসুমের রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

মৌসুমের রেকর্ড পরিমাণ ভারি বৃষ্টিপাতে মঙ্গরবার (৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে পানিতে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জনজীবন। বৈরি আবহওয়ায় বিঘ্নিত হয় স্বাভাবিক বিমান চলাচল।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল ইত্তেফাককে জানান, বৈরি আবহাওয়ার কারণে অবতরণ করতে না পারে ঢাকায় চলে গেছে অন্তত ৩টি ফ্লাইট। এছাড়া অন্যান্য ফ্লাইট স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা বিলম্বে চলাচল করে।

টানা বৃষ্টিতে নগরীর ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও দোকানপাটের নিচতলায় পানি ঢুকে পড়েছে। সকাল থেকে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়ে পুরো নগরী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলমান অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহে ছুটি ঘোষণা করা হয়। পতেঙ্গায় ভারী বৃষ্টির প্রবল পানির তোড়ে একটি সড়কের একাংশ ভেঙে গেছে।

এছাড়া ঝড়ো বাতাসে বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে সাময়িকভাবে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়। পাহাড় ধ্বসের শংকা থাকায় প্রশাসন ও সংস্থাসমূহ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আছে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা ইত্তেফাককে জানান।

এদিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানায়, ভারি বৃষ্টির প্রবল পানির তোড়ে পতেঙ্গার একটি সড়ক ভেঙে গেছে। একটি ফ্লাইওভার সড়ক নির্মাণের জন্য  ওই বাইপাস সড়কটি তৈরি করা হয়েছিল। ভারী বৃষ্টিতে রাতেই সড়কটির একটি বিরাট অংশ ভেঙ্গে যায়। তবে এটি দ্রুত মেরামতের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমের সর্বোচ্চ।

বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট নিম্নচাপটি স্থলনিম্নচাপ হয়ে ভারতের দিকে সরে গেলেও বৃষ্টিপাত আরো ২/৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বুধবার ভারী বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে। নদী ও সমুদ্র বন্দরসমূহে সতর্ক সংকেত বহাল থাকবে।

নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদার পাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলীর ঈশান মহাজনহাট সড়ক এবং হালিশহরের কে ও এল ব্লকসহ সোনালি, বসুন্ধরা, রামপুর ও আনন্দীপুর আবাসিক এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আগ্রাবাদ ও কাতালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যায়। বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় গাছ ভেঙ্গে পড়ে ঈশান মহাজনহাট সড়কে। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় সাময়িকভাবে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন মঙ্গলবার সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ পরিদর্শনের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে যেসব এলাকায় পানি জমেছে সেসব স্থানে খালের কাজ চলছে। বিশেষ করে হিজড়া খাল, জামাল খান খাল, আজব বাহার খাল ও গুলজার খাল। সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড কাজ করছে। এখনো কিছু কাজ বাকি রয়েছে। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সিটি করপোরেশনও এসব এলাকার নালাগুলো পরিষ্কার করেছে। তবে পুরোপুরি নিরসনের জন্য একটু সময় দিতে হবে। কাতালগঞ্জ নিচু এলাকা হওয়ায় পানি জমছে। বৃষ্টি থামলে পানি এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে নেমে যাবে।’

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানায়, ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক রয়েছে। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত মহানগরীতে পাহাড় ধ্বসের কোনো রিপোর্ট নেই তবে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ১টি ও পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ১টি পাহাড় ধ্বসের ঘটনার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla