আপনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসাবে নিয়োগ পাইয়া ও ২৪ নভেম্বর শপথ গ্রহণ করিয়া সিইসির দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছেন।
ভাইজানরে,
দেশ স্বাধীনতার পর এই প্রথম গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান এক সাথে আপনি সম্পন্ন করিয়াছেন। দুনিয়াতে এই রকম ইলেকশান একটি বিরল ঘটনা। দেশ জুড়িয়া নির্বাচন লইয়া নানান ধোঁয়াশা থাকিলেও যথা সময়ে তুলনামুলকভাবে সুষ্টু নির্বাচন কীভাবে করিতে হয় তাহা জাতিকে দেখাইয়া দিয়াছেন ।
ভাইজানরে,
দেশের ১৪ হাজার সাংবাদিক আপনাদের নিয়ম কানুন মানিয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র পাইবার জন্য অনলাইনে আবেদন করিয়াছেন। কাজটি অতি বাস্তব ও ডিজিটাল হইলেও সাংবাদিক নেতাদের চাপে পড়িয়া পূর্বের নিয়মে ফিরিয়া গেলেন কেন ? সাংবাদিক নেতাদের আপনারা যুক্তি দিয়া কেন সঠিকতা বুঝাইতে পারিলেন না ? যাহারা অনলাইনে আবেদন করিয়াছে তাহারাতো হয়রানীর শিকার হলো, তাই না। ১৪ হাজার সাংবাদিকদের কাছে আপনাদের অবস্থান কেমন জানি হইল না ? যাহা করিবেন যেখান থেকে আর পিছু হটিবেন না। এইবার সাংবাদিক পরিচয় পত্র বন্টনে ব্যাপক বিশৃংখলা ও অনিয়ম হইয়াছে। বিষয়টি সাংবাদিকেরা কখনো ভুলিবেন না।
ভাইজানরে ,
দেশে স্মরণ অতীতকালের মধ্যে সেরা ভোট হইয়াছে। যাহারা ভোটের আগে বোরকা, ব্যালেট, সীল ছাপাইয়া আপনার নির্বাচনকে বিতর্কিত করিতে চাহিয়াছিল তাহাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিবেন। সামনে পৌর, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও ইউপি নির্বাচন এমনভাবে করুন যাহাতে দেশবাসী আপনার আজীবন মনে রাখিতে পারে। যদি কোন কারণে সুষ্টু ও অবাধ করিতে নির্বাচন করিতে বিঘ্ন হইবে মনে হয় তাহা হইলে জাতির সামনে ভাষন দিয়া বিদায় নেয়া অনেক ভালো হইবে বলিয়া আপনার শুভাকাঙ্কীরা বলিতেছে।
আজ আর না। আপনার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনায় ইতি আপনারই গ্রাম বাংলার অখ্যাত ঠান্ডা মিয়া গ্রন্থনা: ম. আ. হ তারিখ ২০ ফ্রেব্রুয়ারী ২৬
আগামী সংখ্যায় সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সমীপে ঠান্ডা মিয়ার গরম কথা (২৫৩) সম্প্রচার করা হইবে।