গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমীপে,
শ্রদ্ধেয় তারেক ভাইজানরে ,
গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন। আশা করি, আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে নানান ফর্মূলা তৈরী ও বাস্তবায়ন করিয়া ভালোই আছেন। আমিও গ্রাম বাংলার এক মফস্বল শহরে থাকিয়া দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়া ভাবিয়াই নানান রকম চিন্তা করিয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি।
গেলবার অর্থমন্ত্রী আপনার ডান হাত খ্যাত আমির খসরু মাহমুদ সমীপে গরম কথা লিখিবার সময় এইবার আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম। এই কারণে এইবার আপনাকে লইয়া লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না । বরং শত ব্যস্ততার মধ্যেও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন, ভুল হইলে নিজ গুনে মাফও করিয়া দিবেন।
তারেক ভাইজানরে,
আপনি হইলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার খলিজার টুকরা এইদেশের বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী । ‘তারেক জিয়া’ ও ‘তারেক রহমান’ এই দুই নামেই দেশের মানুষ আপনাকে চিনিয়ে থাকে। আপনার শ্বাশুর ও জেটা শ্বাশুরও দেশখ্যাত লোক । গোটা দুনিয়ার মধ্যে বাপ জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি মা প্রধানমন্ত্রী এমন সুভাগ্য পুত্র হইবার যোগ্যতা কয়জনের বা আছে ? এমন কি এশিয়ার ক্ষমতাধর এইদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। ছিলেন মহিয়সী নারী। যাক, সেইসব কথা।
তারেক ভাইজানরে,
শুনিয়াছি, বিদ্যুতের মিটার চার্জ বাতিল করিয়াছেন। এইটা একটি যুগান্তকারী উদ্দোগ। কিন্তু বিষয়টি কার্যকর না হওয়ায় লোকেরা এখনো বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে। বিরোদ্ধবাদীরা যাহাতে গুজব ছড়াইতে না পারে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। মোবাইলে টাকা কিংবা ডাটা রিচার্জ করিলে মোবাইল কোম্পানীগুলো নিদিষ্ট টাইমে অব্যবহৃত টাকা কিংবা ডাটা কাটিয়ে নেয় কেন ? গ্রাহকেরা কম খরছে জীবনযাপন করিতে চাইলেও মোবাইল কোম্পানীগুলোর এই স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তগুলোর কারনে সহজ জীবনযাপন কঠিন হইতেছে। অবিলম্বে এইসব গলা কাটা সিদ্ধান্তগুলো বাতিল করিয়া দিন। এই দেশের লক্ষ কোটি মোবাইল ফোন গ্রাহকদের কোম্পানীর জিম্মি দশা থেকে বাঁচান।
তারেক ভাইজানরে,
দেশের বহুসংখ্যক বিএনপির সচেতন লোকেরা বলিতেছে,ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানাকে সসম্মানে দলে ফিরিয়া আনা উচিত। তাঁহাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করিয়া দল ও দেশের কাজে লাগানো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হইবে বলিয়া আপনার অসংখ্য ভক্তরা বলিতেছে। তাহারাই বলিতেছে, রুমিন ফারহানার সাথে এইবার আপনি নিজে পরাজিত হইয়াছেন। ওই আসনে আপনার প্রার্থীর পক্ষে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে আপনি নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ায় মস্ত বড় ভুল হইয়াছে।শুনিতেছি, ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানাকে আওয়ামী লীগ পাইলে দলের মহাসচিবও করিতে পারে। বিষয়টি হালকা মনে করিবেন না। অলি আহাদের মেয়ে রুমিন ফারহানার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এইটা বেগম খালেদা ঠিকই টের পাইয়াছিলেন।






