1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এখনো জনশূন্য - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পুলিশ সদস্যকে গাড়িতে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি !আসামি গ্রেপ্তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে নিয়ন্ত্রণহীন দূর্নীতি, রুখবে কে ? দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এখনো জনশূন্য

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
শাহীন আহমেদ পতেঙ্গা থেকে
বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার পরেও এখনো জনশূন্য হয়ে আছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত । ভোর হলেই যেখানে দেখা যেত মানুষের সমাগম  আজ সেই চিরচেনা পতেঙ্গা সমুদ্র বন্দর জনমানবহীন।
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এর প্রকৃতি সেজেছে নিজের রঙে, কমেছে পরিবেশ দূষণ, মানুষের বদলে সেখানে রাজত্ব করছে, শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ও পাখিরা । সাগরের গর্জন ছাড়া আর কোন খোলাহলও নেই।
চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ‌১৪ কিলোমিটার দক্ষিনে কর্ণফুলী নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলে পতেঙ্গা সৈকতের অবস্থান।  এই সৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অবকাঠামো ও দোকান-পাট হোটেল রেস্তোরা ও অসহায় মানুষের জীবিকার মাধ্যম।
কিন্তু আজ কতটুকু ভালো আছে এই অসহায় দিনমজুর লোক গুলো, এ নিয়ে কথা হয় এক ক্যামেরা ম্যানের সাথে। তার নাম শাহ আলম ।  শাহ আলম বলেন আমার ভরসা শুধু একটি ক্যামেরা । এই একটি ক্যামেরা দিয়ে আমার সংসার চলে । শাহ আলম আরও বলেন সারাদিনে যদি ১০ জনের ছবি উঠাতে পারি । কিন্তু এখন সারাদিনে দুইজন লোকও পায় না ছবি উঠানোর জন্য।
আরো কথা হয় কয়েকজন চা বিক্রেতার সাথে । তাদের মধ্যে একজনের নাম জয়নাল। তিনি সীবিচ এলাকায় কয়েক বছর যাবৎ চা বিক্রি করেন। চা-বিক্রেতা জয়নালও একই কথা বলেন।
আরো কয়েকজন দোকানদার বলেন, মানুষ না থাকলেও পতেঙ্গা সৈকতে ডানা মেলেছে প্রকৃতি। সব সময় এই সৈকতে পর্যটকের পদচারণা থাকলেও, করুনা ভাইরাসের কারণে পাল্টে গেছে এখানকার দৃশ্যপাট।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আরো বলেন, পর্যটক এর উৎপাত না থাকায় গাছগুলোতে ফুটে থাকা ফুল সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। পাখিদের উড়ে উড়ে কিচির মিচির ডাক। ঢেউয়ের আছড়ে পড়ার দৃশ্য মনে করে দেয়। পদভারে ক্লান্ত প্রকতি এখন ফেলেছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। তা দেখেও যেন মনটা ভরে যায়।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla