ফেসবুক ও বিভিন্ন অনলাইনে মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর দাবি, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম মহানগরের দেওয়ানবাজার ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ইদ্রিস মুন্নাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানিকর, আপত্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন এই যুবদল নেতা।
ইদ্রিস মুন্নার দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেওয়ানবাজার ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদে তাঁর নাম কোতোয়ালি থানা যুবদল ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের নেতাদের কাছে প্রস্তাবিত হওয়ার পর থেকেই একটি মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাঁকে জড়িয়ে ভুয়া, মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব তথ্যের মাধ্যমে তাঁকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ইদ্রিস মুন্নার মতে, রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য কিংবা সাংগঠনিক পদ-পদবি নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকতেই পারে। তবে সেই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য ছড়ানো কিংবা তাঁর পরিবারকে সামাজিকভাবে বিব্রত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক মূল্যায়ন হওয়া উচিত একজন কর্মীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি অবদান ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে।
তিনি আরও দাবি করেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো তথ্যের ভিত্তিতে যেন তাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি না হয়। এ ক্ষেত্রে দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাদের প্রতিও অনুরোধ জানিয়েছেন ইদ্রিস মুন্না। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইদ্রিস মুন্না আশা প্রকাশ করেন, দলের দায়িত্বশীল নেতারা তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ ও প্রচারিত তথ্য যাচাই করে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নেবেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যের কারণে যেন দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
তবে ইদ্রিস মুন্নার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।