দাপ্তরিক কাজে পদের আগে ‘মাননীয়’ বা অন্যান্য বিশেষ সম্মানসূচক বিশেষণ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তা নিজ দপ্তর থেকেই বাস্তবায়ন শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর কার্যালয়ের সব নথি ও ফাইলে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে দায়িত্ব ও জনসেবাকে প্রাধান্য দিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রটি নিজে মেনে নজির গড়লেন তিনি।
শুধু পদবি সংস্কারই নয়, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন অফিসে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতোই অনলাইন ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন সরকারপ্রধান।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও আড়ম্বর কমাতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে—
ট্রাফিক সিগন্যাল না আটকানো: চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে সড়ক সচল রাখা।
সংক্ষিপ্ত প্রটোকল: বহরে অতিরিক্ত গাড়ির সংখ্যা হ্রাস করা।
পতাকাবাহী গাড়ির সীমিত ব্যবহার: নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া সাধারণ চলাচলে জাতীয় পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার না করা।
ছবি প্রচার বন্ধ: সরকারি কাজ ও প্রচারণায় নিজের ছবি ব্যবহার বর্জন করা।
প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্থান থেকে শুরু হওয়া এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধাভোগের মানসিকতা দূর করে পুরো প্রশাসনে জবাবদিহিতা ও নিয়মানুবর্তিতার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।