1. banglapostbd@gmail.com : admin :
  2. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
  3. admin@purbobangla.net : purbabangla :
সীতাকুণ্ডের বাঁশ বেতে ঘুরছে ৩শ' পরিবারের ভাগ্যের চাকা - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বৃষ্টিতে ভিজে তেলের অপেক্ষা যশোরের শার্শায় স্মরণকালের জ্বালানি সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে চট্টগ্রাম রোটারি সেন্টারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সরওয়ার জামান নিজাম পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসম্প্রদায়িক উৎসব চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী হাড্ডি কোম্পানির জায়গা হিসেবে পরিচিত পানওয়ালা পাড়ায় সিডিএর অভিযান যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিলন মারামারি ও বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট

সীতাকুণ্ডের বাঁশ বেতে ঘুরছে ৩শ’ পরিবারের ভাগ্যের চাকা

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দিন

বাঁশ বেতের সাথে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে টিকে আছে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড, শুকলালহাট, ফকিরহাট, সীতাকুণ্ড সদর, বহরপুর, ছোট দারোগার হাট, টেরিয়াইল, বড় দারোগার হাট, কুমাদান পাড়া, মহালঙ্কা ও ফেদাইনগর এলাকায় প্রায় ৩শত পরিবার। বাঁশ বেতের তৈরি স্থানীয় ভাষায় লাই, খাঁচি, বাঁশের খাঁচা, হাতা, কুলা, মাছের আন্তা, ডুলা, বাঁশের দরজা, বেড়া, মাটি কাটার উড়া ইত্যাদি হস্তশিল্প তৈরি করে বাড়বকুণ্ড, সীতাকুণ্ড ও বড় দারোগার হাট বাজারে প্রতি হাট বারে বিক্রয় করছে সংশ্লিষ্ট কুটির শিল্প পেশার পরিবারগুলো। বড় দারোগারহাট বিশ্বনাথ বস্ত্র বিতান এর স্বত্বাধিকারী নিমাই চন্দ্র দে ও পৌরসদরস্থ দক্ষিণ মহাদেবপুরের বাসিন্দা সহকারি শিক্ষক লক্ষণ চন্দ্র দে. জানান এক সময় বাঁশ-বেতের তৈরি পরিবেশবান্ধব এসব হস্থশিল্পের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বর্তমানে সে দিন আর নেই। পরিবেশবান্ধব হস্থশিল্পের পরিবর্তে প্লাস্টিক পণ্যের বিপুল ব্যবহারে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। উপজেলার বহরপুর গ্রামের বাঁশ বেতের সাথে সংশ্লিষ্ট হস্তশিল্পী মাঈন উদ্দিন জানান, বাল্য বয়সে বাবা হারিয়ে ভিটে বাড়ি ছাড়া কোন চাষের জমি না থাকায় পিতার পেশাকেই বেচে নিতে বাধ্য হয় পরিবারটি। পারিবারিক ভাবে প্রায় ২৭ বছর যাবৎ এ ব্যবসার সাথে জড়িত মাঈন উদ্দিন আরো জানান, এক সময় আমাদের তৈরি নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্রের প্রচুর বাজার চাহিদা ছিল। বর্তমানে বিভিন্ন আকৃতির প্লাষ্টিক সামগ্রীর পণ্য বাজারজাত হওয়ায় আমাদের তৈরি সামগ্রীর চাহিদা দিন দিন কমছে। তাতে পেশাগত ভাবে আমরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ। একই সুরে কথা বলেছেন সীতাকুণ্ড থানা সংলগ্ন মল্লিক বাড়ির প্রতিবন্ধী হস্তশিল্পী প্রদীপ দাশ। তিনি বলেন, বাজারে চাহিদা কমতে থাকায় আগের মত নানা ধরনের জিনিসপত্র তৈরি করা ছেড়ে দিয়েছি। বাজারে ক্রেতার পণ্যের চাহিদা দেখেই তৈরির কাজে হাত দিই। বর্তমানে লাই, খাছি, কুলা ও মাটি কাটার উড়ার প্রতি ক্রেতার আগ্রহ বেশি।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla