1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
যশোরের পাখির বাসা যাচ্ছে ইউরোপে - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

যশোরের পাখির বাসা যাচ্ছে ইউরোপে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

যশোর প্রতিনিধি

যশোরে তৈরি সৌখিন পাখির বাসা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছে যশোরের নরেন্দ্রপুরের দাসপাড়ার নিম্ন আয়ের মানুষ। একইসাথে কর্মসংস্থানও বাড়ছে।

সদর উপজেলার চাউলিয়া দাসপাড়ার গৌরাঙ্গ দাস ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীদের পাঠানো নমুনা অনুযায়ী শতাধিক শ্রমিকের মাধ্যমে এসব পাখির বাসা তৈরি করাচ্ছেন। ঢাকায় সেগুলো পাঠানোর পর সেখানকার ব্যবসায়ীরা ইউরোপের ছয়টি দেশে তা রফতানি করছেন বলে জানিয়েছেন গৌরাঙ্গ।

তিনি জানান, ইউরোপের জার্মানি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও পর্তুগালের বিভিন্ন শহরে সৌখিন পাখি উৎপাদন খামারে যাচ্ছে তাদের উৎপাদিত প্রায় ২৫ ধরনের পাখির বাসা।

ইউরোপের বাজারে যশোরের দাসপাড়া, ধলিগাতী, এড়েন্দা, আবাদ কচুয়া গ্রামে তৈরি এসব পাখির বাসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

মূলত বাঁশ, নারকেলের ছোবড়া, পাট, শুকনো খড়, বিচুলি, বাঁশ পাতা, খেজুরের ছাল, লতা, বেত, জাল ও প্লাস্টিক পাইপ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের পাখির বাসা তৈরি করছেন এখানকার কারিগররা।

গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ২৫ ধরনের পাখির বাসা তৈরি করতে পারি। এটি নিয়ে সারাবছর ব্যস্ততা থাকে। ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা আমাদেরকে কাজ দেন। পাইকারি দামে এসব পাখির বাসা কিনে নিয়ে তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করেন।

তিনি জানান, বর্তমানে বিদেশি ক্রেতা বাড়ছে। অনেকেই এই শিল্পকর্ম শিখেছেন। তবে পুঁজি সংকটের কারণে এ পণ্যের রফতানি বাণিজ্যে যতটা প্রসার ঘটার কথা ছিল, ততটা ঘটেনি। সরকারি সহযোগিতা পেলে এবং নিজেরা সরাসরি রফতানি করতে পারলে এ শিল্পের মাধ্যমে আরো বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাধন কুমার দাস বলেন, এখানকার উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এই শিল্পকে সম্প্রসারিত করতে শ্রমিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা দিলে ভালো কিছু করার সম্ভব রয়েছে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla