1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
যশোরের পাখির বাসা যাচ্ছে ইউরোপে - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

যশোরের পাখির বাসা যাচ্ছে ইউরোপে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৪০৩ বার পড়া হয়েছে

যশোর প্রতিনিধি

যশোরে তৈরি সৌখিন পাখির বাসা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছে যশোরের নরেন্দ্রপুরের দাসপাড়ার নিম্ন আয়ের মানুষ। একইসাথে কর্মসংস্থানও বাড়ছে।

সদর উপজেলার চাউলিয়া দাসপাড়ার গৌরাঙ্গ দাস ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীদের পাঠানো নমুনা অনুযায়ী শতাধিক শ্রমিকের মাধ্যমে এসব পাখির বাসা তৈরি করাচ্ছেন। ঢাকায় সেগুলো পাঠানোর পর সেখানকার ব্যবসায়ীরা ইউরোপের ছয়টি দেশে তা রফতানি করছেন বলে জানিয়েছেন গৌরাঙ্গ।

তিনি জানান, ইউরোপের জার্মানি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও পর্তুগালের বিভিন্ন শহরে সৌখিন পাখি উৎপাদন খামারে যাচ্ছে তাদের উৎপাদিত প্রায় ২৫ ধরনের পাখির বাসা।

ইউরোপের বাজারে যশোরের দাসপাড়া, ধলিগাতী, এড়েন্দা, আবাদ কচুয়া গ্রামে তৈরি এসব পাখির বাসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

মূলত বাঁশ, নারকেলের ছোবড়া, পাট, শুকনো খড়, বিচুলি, বাঁশ পাতা, খেজুরের ছাল, লতা, বেত, জাল ও প্লাস্টিক পাইপ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের পাখির বাসা তৈরি করছেন এখানকার কারিগররা।

গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ২৫ ধরনের পাখির বাসা তৈরি করতে পারি। এটি নিয়ে সারাবছর ব্যস্ততা থাকে। ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা আমাদেরকে কাজ দেন। পাইকারি দামে এসব পাখির বাসা কিনে নিয়ে তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করেন।

তিনি জানান, বর্তমানে বিদেশি ক্রেতা বাড়ছে। অনেকেই এই শিল্পকর্ম শিখেছেন। তবে পুঁজি সংকটের কারণে এ পণ্যের রফতানি বাণিজ্যে যতটা প্রসার ঘটার কথা ছিল, ততটা ঘটেনি। সরকারি সহযোগিতা পেলে এবং নিজেরা সরাসরি রফতানি করতে পারলে এ শিল্পের মাধ্যমে আরো বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাধন কুমার দাস বলেন, এখানকার উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এই শিল্পকে সম্প্রসারিত করতে শ্রমিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা দিলে ভালো কিছু করার সম্ভব রয়েছে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla