1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বোয়ালখালীতে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি ময়মনসিংহে পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের চট্টগ্রামে বাস-লেগুনার সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ রাঙামাটিতে বজ্রপাতে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু, আহত পরিবারের আরও ৫ সদস্য চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে প্রধান ঈদ জামাত সকাল ৭টায় ছুটিতেও বন্দরে তিন টাস্কফোর্স, কাস্টমসে ১০ টিম ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাতের ময়দান স্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৩ ইউনিট, দুর্ঘটনাস্থলে পানির সংকট ১৬ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সমুদ্রে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই ঈদ-উল-আজহা

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, কৃষি, মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১০ হাজার টাকা ঋণ নিলে তার যে সুদ তাসহ মওকুফ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, ১৩তম সংসদের প্রথম মন্ত্রিসভার সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়। আজকে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা যুগান্তকারী।“সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশু পালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারি, বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি ব্যাংকসমূহে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের কাছে পাওনা রয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা এই ঋণ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই ঋণ মওকুফ করা হলে দরিদ্র কৃষকরা নানাভাবে উপকৃত হবেন। এতে ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হবেন। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে; ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন; মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন; এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla