
অভি পাল:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নীতি নির্ধারণী সর্বোচ্চ পর্ষদ ‘সিনেট’ এবার মুখরিত হতে যাচ্ছে চাটগাঁর ৫ জন সিংহপুরুষ ও হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, অবকাঠামো ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সর্বোচ্চ এই ফোরামে সদস্য হিসেবে সরাসরি যুক্ত হলেন চট্টগ্রামের ৫ জন বীর জনপ্রতিনিধি। গত ০৫ জুন ২০২৬ তারিখে সংসদ সচিবালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে মাননীয় স্পিকারের এই ঐতিহাসিক ও দূরদর্শী মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই চবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চট্টগ্রামের রাজনৈতিক মহলে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
মনোনয়নের এই তালিকায় স্থান পেয়ে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং মাঠপর্যায়ে ব্যাপক আলোড়ন ও উল্লাস তৈরি করেছেন ৫ জন তুমুল জনপ্রিয় নেতা। তালিকায় আছেন— চট্টগ্রাম-১৩ আসনের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর জনাব সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের গণমানুষের নেতা জনাব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৬ আসনের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের কান্ডারি জনাব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের জনপ্রিয় জননেতা জনাব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের তরুণ ও প্রজ্ঞাবান নেতা জনাব সাঈদ আল নোমান। সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতিমা আজরিন তন্বী স্বাক্ষরিত এই আদেশটি ইতিমধ্যেই চবি উপাচার্য বরাবর পাঠানো হয়েছে। চাটগাঁর এই ৫ শীর্ষ অভিভাবকের চবি সিনেটে একই প্ল্যাটফর্মে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে এক নতুন যুগের সূচনা করবে বলে ভক্ত ও অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে মুখর করে তুলেছেন।
একদিকে দেশের অন্যতম প্রধান স্বায়ত্তশাসিত বিদ্যাপীঠের প্রশাসনিক চালিকাশক্তি, অন্যদিকে চট্টগ্রামের মাঠ রাজনীতির ৫ সফল কাণ্ডারি— সব মিলিয়ে এই মনোনয়নকে চবির ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সংসদ সচিবালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ১১টি উচ্চপদস্থ দপ্তরে ইতিমধ্যেই এই আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, এই ৫ প্রভাবশালী নেতার সরাসরি হস্তক্ষেপে চবির বাজেট সেশন, সেশনজট নিরসন, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে।