1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  - পূর্ব বাংলা
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে 

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকায় গ্যাসচালিত এইচ-পাওয়ার ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত টমটমের জমজমাট বাণিজ্য ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চলছে অনিয়ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারির অভাবে এ অবৈধ কার্যক্রম দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অভিযোগ রয়েছে, পতেঙ্গা, কাটগর, স্টিল মিল খালপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ যানবাহনের লাইনের আড়ালে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ চক্র।

এ চক্রের পেছনে পতেঙ্গা থানা এলাকার সেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর এবং পতেঙ্গা টি আই কাউসার সহ কিছু প্রভাবশালীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, মোঃ কাউসার এর মাধ্যমে ফ্রী বোর্ড টিসিবি ভবন থেকে সীবিচ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি গ্যাসচালিত এইচ-পাওয়ার গাড়ি চলাচল করছে। এর মধ্যে অধিকাংশ যানবাহনই অনুমোদনবিহীন। ডকুমেন্টস বিহীন ২৩০ টি প্রতিটি গাড়ি থেকে মাসিক ৯ হাজার টাকা এবং ২০ টি ডকুমেন্টধারী গাড়ি থেকে ৬ হাজার টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিদিন গাড়িপ্রতি ১২০ টাকা হারে ‘লাইন খরচ’ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অন্যদিকে, মোঃ সোহেল এর মাধ্যমে কাটগর মোড় থেকে কন্ট্রোল মোড়, মাইজপাড়া হয়ে ৯ নম্বর পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি অবৈধ এইস পাওয়ার ও ব্যাটারিচালিত টমটম চলাচল করছে। এ লাইনটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিটি টমটম থেকে মাসিক ৮০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, মোঃ জামাল এর মাধ্যমে কাটগর থেকে ১৪ নম্বর ইন কনটেইনার ডিপো পর্যন্ত আরও একটি টমটম লাইন রয়েছে, যেখানে প্রায় ১৫০টি গাড়ি চলাচল করে। উক্ত লাইনের প্রতিটি গাড়ি থেকে মাসিক ২ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করা হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কার্যক্রমের পেছনে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া থাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। ফলে জনদুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি চাঁদাবাজি চক্রের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কাউসারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার লক্ষ্যে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে বারবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে লিখিত বার্তার (মেসেজ) মাধ্যমেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেখান থেকেও কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া বা জবাব পাওয়া যায়নি। ফলে আলোচিত এইস পাওয়ার লাইনের বিষয়ে তার প্রত্যক্ষ কোনো বক্তব্য বা অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যুতে অভিযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নীরবতা বিষয়টিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। তবে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

“বক্তব্য গ্রহণে অনীহা কল পেয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া অতঃপর সংযোগ বিচ্ছিন্ন” চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব কাটগর এলাকার এইস পাওয়ার ও অবৈধ টমটম লাইনের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সোহেলের বক্তব্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। প্রাথমিকভাবে কলটি রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় প্রদান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর মতামত জানতে চাওয়া হলে সোহেল উল্টো প্রশ্ন তোলেন “আমার মোবাইল নম্বর কোথায় পেয়েছেন?” এ প্রশ্নের পরপরই তিনি কোনো প্রকার ব্যাখ্যা বা বক্তব্য প্রদান না করে তাৎক্ষণিকভাবে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ফলে এই বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

“কাটগর বাজার থেকে ইন কন্টেইনার ডিপো পর্যন্ত টমটম লাইনে অস্পষ্টতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যে প্রশ্ন” চট্টগ্রাম নগরীর কাটগর বাজার থেকে ১৪ নম্বর ইন কন্টেইনার ডিপো পর্যন্ত চলাচলকারী টমটম লাইনের কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জামালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তার মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তিনি সরাসরি কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদান না করে সাংবাদিককে পতেঙ্গা এলাকায় সরাসরি উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান। জামাল বলেন, “আপনি পতেঙ্গা এলাকায় আসুন, আমি সবার সঙ্গে কথা বলে আপনাকে জানাব।” তবে তার এই বক্তব্যে “সবার সঙ্গে কথা বলা” বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। বিশ্লেষকদের মতে, একটি নির্দিষ্ট রুটের টমটম লাইনের বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে “সবার সঙ্গে কথা বলা” এধরনের অস্পষ্ট মন্তব্য ইঙ্গিত করে যে, এ কার্যক্রমের পেছনে কোনো গোষ্ঠী বা অঘোষিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সক্রিয় থাকতে পারে। বিষয়টি গভীরভাবে অনুসন্ধান করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে স্থানীয়দের মধ্যেও এ নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

“বিবৃতি নিতে যোগাযোগে এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ” পতেঙ্গা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোঃ জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সরাসরি কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, সোহেলের সমন্বয়ে পরিচালিত এইস পাওয়ার লাইনের কার্যক্রম-যা পূর্ব কাটগর থেকে কন্ট্রোল মোড়, মাইছ পাড়া, ৯ নম্বর ঘাট হয়ে বিস্তৃত এবং জামালের মাধ্যমে কাটগর থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত টমটম লাইনের বিষয়ে জানতে তার মোবাইল নম্বরে কল দেওয়া হয়। তবে প্রত্যাশিত তথ্য প্রদান না করে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “আপনি পতেঙ্গা এলাকায় আসুন, বসে আপনার সাথে কথা বলব।” তার এই মন্তব্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাৎক্ষণিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি নির্দেশ করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।

  পতেঙ্গা এলাকার টি আই মোঃ সেলিম কে তার মোবাইল নম্বরে কলদিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি দূর্ঘটনাজনিত কারণে অসুস্থ অবস্থায় আছি।বর্তমানে কাউসার সাহেব দায়িত্বে আছেন। আমি সুস্থ হলে অবৈধ গাড়ী চলাচল করতে পারবে না। আমিও শুনেছি অলি গলিতে কিছু অবৈধ গাড়ী রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চলে।

এই বিষয়ে টি আই কাউসার পূর্ব বাংলাকে বলেন, অভিযোগ থাকলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla