1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
নাজমুল এন্টারপ্রাইজের জালিয়াতি: আসাদুজ্জামানের সহায়তায় চট্টগ্রাম ​কাস্টমস হাউসে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নাজমুল এন্টারপ্রাইজের জালিয়াতি: আসাদুজ্জামানের সহায়তায় চট্টগ্রাম ​কাস্টমস হাউসে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি পটিয়া বড়লিয়া: নামের অন্তরালে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার জনপদ আনোয়ারা-পটিয়া-চন্দনাইশ উপজেলার সীমান্তবর্তী চামুদরিয়া ঘাটে ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের বুধবারের কর্মসুচী  বায়োজিদে ঋণ খেলাপি সাদ মুসা ও সীতাকুন্ডে বিজয় স্মরণী স্কুল মাঠে অনুমোদন ছাড়াই মেলা  ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে চীনের জনসংখ্যা ও আয়তনের বৈষম্য ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  জসিম উদ্দিন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত সংবর্ধিত ইবিএল চেয়ারম্যান শওকত আলীর বিরুদ্ধে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ

নাজমুল এন্টারপ্রাইজের জালিয়াতি: আসাদুজ্জামানের সহায়তায় চট্টগ্রাম ​কাস্টমস হাউসে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

​বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে দাখিলকৃত একটি আমদানিকৃত পণ্যের চালানের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট পাচারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ‘নাজমুল এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এই জালিয়াতির সাথে জড়িত। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো এই অবৈধ আমদানির বিষয়টি কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আগে থেকেই জানতেন। এমনকি সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো ‘মোটা অঙ্কের’ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে পণ্য চালানটি খালাস করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০ জুলাই ‘২৫ তারিখে  সি-১৩৬৭৫৩২ (C-1367532) নম্বর বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে কাস্টমস হাউসে একটি পণ্যের চালান সাবমিট করা হয়। কাগজপত্রে চালানটিতে ১০০২ কার্টন ম্যাসাজার, মিনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, নাইফ, স্প্রেয়ার নজল, রেঞ্চ, হেয়ার স্ট্রেইটনার, নেইল কাটার, আইব্রো ক্লিপ, কাঁচি, কি-রিং, প্লাস্টিক ও গ্লাস বিডস আমদানির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই বৈধ পণ্যের আড়ালে কৌশলে নিয়ে আসা হয় আরও ৫০০ কার্টন অবৈধ সিগারেট।
​সূত্র জানায়, এই অবৈধ সিগারেট আমদানির তথ্য কাস্টমস হাউসের কমিশনার জাকির হোসেন এবং রাজস্ব কর্মকর্তা (আরও) আসাদুজ্জামান আগে থেকেই অবগত ছিলেন। ২০ জুলাই চালানটি কাস্টমস সিস্টেমে সাবমিট করার পরপরই রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে তথ্যপ্রমাণসহ একটি সতর্কবার্তা (মেসেজ) পাঠানো হয়েছিল। নিয়মানুযায়ী এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর পণ্য চালানটি ‘ইনস্পেকশন ট্র্যাক্ট’ বা কায়িক পরীক্ষার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক লক বা আটক করার কথা। কিন্তু কাস্টমসের এই কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
​অভিযোগ রয়েছে, পণ্যটি আটক না করার পেছনে পর্দার আড়ালে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে। রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে জালিয়াতির এই চালানটি বিনা বাঁধায় খালাস পাওয়ার সুযোগ করে দেন। এর ফলে সরকার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
​এ বিষয়ে জানতে কাস্টমস হাউসের সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ডিসি তারেক আহমেদ পূর্ব বাংলাকে বলেন ওই সময়ে আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তাই কিছু বলতে পারছি না।  এই বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন আমার বক্তব্য হলো এখানে আমি একা কাজ করি না। যদি কোন তথ্য দিতে হয় তা চেয়ারম্যান বা কমিশনার সাহেবকে দিতে পারত। এই রকম অনেক তথ্য আসলেও আমরা কিছু করতে পারিনা। তবে আপনি যা বলছেন তা ‘সবগুলাই 100% এক্সামিন হইছে দেখেন’।

একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে নিউজ করাচ্ছে।সিএনএফের লোকজন হতে পারে। দেখবেন দুই একদিনের মধ্যে নারী কেলেংকারী নিয়ে রিপোর্ট আসবে। আমাকে ফাঁসাতে চেষ্টা করছে একটি চক্র।

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla