
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিলন অভয়নগরের ফেরিঘাট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবর্ষণ, বোমা হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুরের মামলায় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনকে শোন অ্যারেস্ট করা হয়েছে। রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল আলমের আবেদনের শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা শারমিন এ আদেশ দেন। শহিদুল ইসলাম মিলনের আইনজীবী এদিন তার জামিন আবেদন করলে বিচারক শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর রোকসানা খাতুন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সারাদেশে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন তুঙ্গে থাকাকালে অভয়নগরের নওয়াপাড়া সড়কে ছাত্র-জনতা আন্দোলনে নামে। এদিন দুপুর ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নওয়াপাড়া হাইওয়ের পাশে ফেরিঘাট এলাকায় জড়ো হয়। একপর্যায়ে তারা আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, বোমা হামলা ও বাজারের বহু দোকানপাট ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর অভয়নগরের বুইকারা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে জোবায়ের হোসেন বাদী হয়ে মারপিট, ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান। ফলে গত ৫ এপ্রিল তিনি কারাগারে অন্য মামলায় আটক শহিদুল ইসলাম মিলনকে এ মামলায় শোন অ্যারেস্টের আবেদন করেন। গতকাল এ আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক শোন অ্যারেস্টের আবেদন মঞ্জুর করেন।