
শেরপুরের নকলা উপজেলায় একটি কুকুরের কামড়ে শিশুসহ ২৯ জন আহত হয়েছেন। কুকুরটি ছয়টি গবাদিপশুকেও কামড়েছে।
বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে এলাকাবাসী।
আহতরা বলছেন, সকাল থেকে কুকুরটি পৌর শহরের গ্রিনরোড, দড়িপাড়া, উত্তর কায়দাসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে এদিক-ওদিক দৌঁড়াতে থাকে। কুকুরটি যাকেই সামনে পেয়েছে তাদেরকে কামড়িয়েছে।
পৌর শহরের গ্রিনরোড ও দড়িপাড়া এলাকায় ১৫ জন এবং উত্তর কায়দা গ্রামের বাসিন্দা ১৪ জনকে কুকুরটি কামড়েছে।
আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- উপজেলার বাজারদি এলাকার বাসিন্দা ফিরোজ আলীর ছেলে রিয়াজ আহম্মেদ, আব্দুর রহমানের ছেলে রায়ান, খলিলুল রহমানের মেয়ে মীম, কায়দা এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে ঝিনুক, লুৎফর রহমানের ছেলে সজিব ও কুর্শা এলাকার মিরাজ উদ্দিনের ছেলে জিহাদ।
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, “কুকুরের কামড়ে হাসপাতালে আসা আহতদের ভ্যাকসিন ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। এর আগে এক দিনে কুকুরের কামড়ে এত রোগী হাসপাতালে আসেনি।”
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “পৌরসভা থেকে সরবরাহ করা ভ্যাকসিন হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে। আহতদের তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে।”