1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
করেরহাট রেঞ্জে আলা উদ্দিনে নেতৃত্বে চলছে গাছ পাচার - পূর্ব বাংলা
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

করেরহাট রেঞ্জে আলা উদ্দিনে নেতৃত্বে চলছে গাছ পাচার

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

কুরবানী ঈদের আগে কোটি টাকার কাঠ পাচারের ফন্দি

করেরহাট ফরেস্ট রেঞ্জের অধীন করেরহাট বিট কাম চেক স্টেশন চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের অন্তর্গত করেরহাট ফরেষ্ট রেঞ্জের অধীন করেরহাট বিট। যুগ যুগ ধরে বন সমৃদ্ধ এই ফরেস্ট বিটের বিভিন্ন গাছের সমারোহে মানুষ আবির্ভূত হত। বন কাকে বলে তা এই বন দেখলেই মানুষের প্রাণ জুড়িয়ে যেত।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডের বারৈয়ারহাট দিয়ে খাগড়াছড়ি যাওয়ার যে নয়নিভিরাম মনজুড়ানো বন সমৃদ্ধ পথ সেটিই হচ্ছে করেরহাট ফরেস্ট বিট এলাকা। বর্তমানে এই করেরহাট বিট এর বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন আলা উদ্দিন। একই সাথে সড়কের পাশে করেরহাট ফরেস্ট রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনে বাজারের মাঝখানে করেরহাট ফরেস্ট চেক স্টেশনেরও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

কতইনা ভাগ্যবান এই  আলা উদ্দিন একাই বিট এবং বিট কাম চেক স্টেশনের দায়িত্ব থেকে বনবিটের বিভিন্ন মূল্যবান গাছ অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের সাথে যোগ সাজসে সরকারি বনের কাঠ কাটিয়ে প্রতি ঘনফুট হিসেবে ২ থেকে ৩ হাজার করে টাকা নিয়ে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করছেন । একটি গাছে যদি ১০ থেকে ২০ ঘণফুট কাঠ জমে তাহলে আলা উদ্দিন সেই হিসেবে অবৈধ টাকা উপার্জন করে থাকেন।

করেরহাট বনবিট এখন রক্ষার নামে আলা উদ্দিন টাকা কামানোর মহোৎসবে নেমে বন ধ্বংসের কাজে নির্লজ্জভাবে লিপ্ত হয়েছেন। এই বন বিটের একজন বনপ্রহরীর নাম গোপন করার শর্তে বলেন যে করেরহাট বিটের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির যে পথ গেছে সে রাস্তার দুপাশে যে বন দেখা যায় একটু ভিতরে ঢুকলেই দেখা যাবে এমন বৃক্ষহীন উলঙ্গ পাহাড় ছাড়া আর কিছুই নেই। যাও আছে আলা উদ্দিন আর কয়েক মাস এখানে থাকলে এই বনের অবশিষ্ট মূল্যবান গাছগুলিও বিক্রি হয়ে যাবে।

খাগড়াছড়ি বারৈয়ারহাট সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ টি কাঠ ভর্তি ট্রাক খাগড়াছড়ি থেকে ফেনী, কুমিল্লা এবং ঢাকায় আসে চলাচল পাশের অণুবলে পরিবাহিত এসব ট্রাকের কাঠের সহিত চলাচল পাশে বর্ণিত কাঠের জাত, মাপ, পরিমাপ, মালিকানা হাতুড়ির সঠিককতা পাওয়া যাবে না যদি সঠিকভাবে পরীক্ষা করা হয়। এমনকি বন বিভাগের যে হাতুড়ির চিহ্ন কাঠে থাকে তাও পরীক্ষাতে জাল ধরা পড়বে। এ কারণে প্রতি ট্রাকে আলা উদ্দিন প্রকারভেদে পরীক্ষার নামে ১৫ থেকে ২০ হাজার করে টাকা নিয়ে থাকেন।

খাগড়াছড়ি থেকে যেসব কাঠ ভর্তি ট্রাক আসে সব ট্রাক আলা উদ্দিন থেকে করেরহাট চেক স্টেশনের ছাড়পত্র নিতে হয়। আলা উদ্দিন এক দিকে করেরহাট বিটের গাছ বিক্রি করছেন অপরদিকে খাগড়াছড়ি, মানিকছড়ি, মাটিরাঙ্গা, পানছড়ি, ফটিকছড়ি ইত্যাদি স্থান হতে যে সমস্ত কাঠ ট্রাকে তার চেক স্টেশনের সামনে দিয়ে যায় তা নির্ধারিত অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়।

এক কথায় তিনি সরকারি বনের গাছ বিক্রি এবং অন্যান্য এলাকা থেকে আসা গাছ পাচারে সহযোগিতার মহোৎসব চালিয়ে যাচ্ছে ।  আলা উদ্দিনের দায়িত্বে থাকা করেরহাট চেক স্টেশনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল খাগড়াছড়ি, শিষক, পানছড়ি, মাটিরাঙ্গা, মানিকছড়ি এবং চট্টগ্রাম বন বিভাগের সরকারী বনের গাছ যেন পাচার হতে না পারে সেই লক্ষে কিন্তু এখন যা হচ্ছে তার উল্টোটা।

চলাচল পাস ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধভাবে প্রতি রাতে ৭ থেকে ৮ টি কাঠের ট্রাক প্রতি ট্রাক ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আলা উদ্দিনকে দিয়ে করেরহাট চেক স্টেশন ক্রস করে। আলা উদ্দিনের অধীনস্থ একজন বনকর্মীর নিকট থেকে জানা যায় যে আলা উদ্দিনের নির্ধারিত হারে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট উপার্জিত অর্থের ভাগ পৌঁছে দিয়ে থাকেন। এ কারণে তিনি কোন কিছু ভয় পান না।

করেরহাট রেঞ্জের অধীন অন্দারমানিক বিট এবং কয়লা ও হিয়াকো বিটের গাছ সমূহ আলা উদ্দিনের কারণে নিরাপদ নয়।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla