1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বাড়ছে - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বাড়ছে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম শহরে ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড ও ইমারত বিধিমালা না মানার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা বাড়ছে, যার ফলে বড় ধরনের ভূমিকম্পে এই শহর ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। প্রায় ৭০ শতাংশ ভবনই ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা অনেক মানুষের প্রাণহানি ও বিপুল সহায় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে। ভবনগুলো মূলত জাতীয় বিল্ডিং কোড না মেনেই, বিম ছাড়া কলাম ও স্লাব দিয়ে তৈরি হচ্ছে, যার ফলে এগুলো ভূমিকম্প প্রতিরোধী নয়। স্থানীয়ভাবে এটি ‘হেলে পড়া ভবন’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। 

জানা গেছে,  অতি ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রামে বেশি। চাহিদার তাগিদে বাড়ছে বহুতল ভবন নির্মাণ। অথচ ভবন নির্মাণে মানা হচ্ছে না নিরাপত্তা নির্দেশিকা। এসব ভবনে অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন। বর্তমানে অগ্নিনিরাপত্তায় অতিঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা ৫ হাজার ৫৬৭টি বহুতল ভবন পরিদর্শন করেছেন। এর মধ্যে আবাসিক ভবনের পাশাপাশি রয়েছে বাণিজ্যিক ভবন, হাসপাতাল, শিল্প-কারখানা ও অন্যান্য শ্রেণীভুক্ত ভবন। ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শনে চিহ্নিত হয়েছে নিরাপত্তা নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্মিত ৫৩১টি অতিঝুঁকিপূর্ণ এবং ১ হাজার ২৯২টি ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন।

২০২২ সালে চট্টগ্রামে বহুতল আবাসিক, বাণিজ্যিক, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য শ্রেণিভুক্ত ভবন মিলে ৩১৬টি সরকারি ও ১ হাজার ৩৬০টি বেসরকারি ভবন মিলে ১ হাজার ৬৭৬টি ভবন পরিদর্শন করেছে ফায়ার সার্ভিস। এর মধ্যে ৬৭৭টি সন্তোষজনক হলেও ৪৪৭টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪৬৩টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। এক বছরে চট্টগ্রামের বহুতল, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য ভবন এবং বিপণিকেন্দ্রের মধ্যে ৯৭১টি সরকারি ও ১ হাজার ৯১০টি বেসরকারি ভবন মিলে ২ হাজার ৭৪৫টি ভবনে মহড়া এবং ১০৮টি সরকারি ও ২৫৭টি বেসরকারি ভবনে সার্ভে করেছে ফায়ার সার্ভিস।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবস্থানগত কারণে রিখটার স্কেলে সাত দশমিক পাঁচ থেকে আট দশমিক পাঁচ মাত্রার বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে চট্টগ্রাম। এই মাত্রায় ভূমিকম্প হলে নগরীর দেড় লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। এক্ষেত্রে ভূমিকম্প সহনীয় নয়, এমন ভবন চিহ্নিত করে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে এখনই প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খাতুনগঞ্জ, ফিরিঙ্গিবাজার, ঈশানমিস্ত্রী হাট, গোসাইডাঙ্গা, দেয়ানহাট ও মুরাদপুরে বেশ কয়েকটি বিল্ডিং -এ ফাটল ধরেছে। এসব বিল্ডিং যে কোন মুহূর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে।

স্থপতি ও নগর বিশেষজ্ঞ ইকবাল হাবিব বলেন, যদি নবায়নযোগ্য কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট দেয়ার ব্যবস্থা থাকত, প্রতি বছর পরিদর্শন করে যদি সার্টিফিকেট দেয়া হতো, তাহলে হয়তো ঝুঁকি কমতো।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপ পরিচালক মো, আবদুল মালেক বলেন, ঢাকার মতো চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসেও আধুনিক সব সরঞ্জাম রয়েছে। যদিও জনবল সঙ্কট আছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা, অগ্নিনির্বাপণের চেয়ে অগ্নি সচেতনতাই জরুরি। বিল্ডিং কোড, গাইড লাইন মেনে চলা উচিত। তাহলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা কমে আসবে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla