1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
হালিশহরে কোটি টাকার মদ উদ্ধার,  চোরাচালান রয়ে গেছে এখনো - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

হালিশহরে কোটি টাকার মদ উদ্ধার,  চোরাচালান রয়ে গেছে এখনো

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

হালিশহর প্রতিনিধি

নগরীর হালিশহর থানার ডগির খাল এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৪ কোটি ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ হলেও বাস্তব চিত্র বলছে চোরাচালান সিন্ডিকেট এখনো রয়ে গেছে।

শনিবার (৩ মে) ভোর ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড চট্টগ্রাম বেইস-এর সদস্যরা সফলভাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ ও বিয়ার জব্দ করে। অভিযানটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় হলেও প্রশ্ন উঠেছে এই একক অভিযান কি যথেষ্ট ?

চোরাকারবারিরা ধরা পড়লেও মূল হোতারা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সরেজমিনে ডগির খাল এলাকায় গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন জেলের সাথে কথা বললে তারা জানান প্রতি সপ্তাহেই একাধিকবার এই একই পথ ধরে মাদক, লোহা-লক্কর ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার করা হয়। তাদের ভাষ্যমতে, এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত, যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন সিন্ডিকেট চালিয়ে যাচ্ছে। এসব চোরাকারবারীরা আনোয়ারা, টেকনাফ, বাঁশখালী ও মহেষখালী এলাকার অধিবাসী । এই থানা এলাকার বড়পুল ও হালিশহরের বিভিন্ন ব্লকে তারা ভাড়া অথবা কেনা বাসায় থাকে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ঘটনার বিষয়ে একাধিকবার হালিশহর থানাকে অবগত করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।  থানার ভূমিকা বরাবরের মতো নীরব ও নিষ্ক্রিয় ছিল যা এ চক্রের আসকারা দেওয়ার সমতুল্য।

উঠছে গুরুতর প্রশ্ন ,যেখানে কোটি কোটি টাকার চোরাচালান হচ্ছে, সেখানে মূল হোতারা এতদিন কীভাবে অধরাই থেকে যাচ্ছে? কে বা কারা তাদের পেছনে ছায়া হয়ে আছে, পুলিশের নীরবতা কি শুধুই দায়িত্বহীনতা নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় ধরনের মদদ।

এই সব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলে না। তবে অনুসন্ধান চলছে এবং অচিরেই এই চক্রের মূল হোতাদের পরিচয় ও বিস্তারিত চিত্র পত্রিকার পাতায় প্রকাশ পাবে।

চোরাচালান বন্ধে একক অভিযান নয়, চাই সমন্বিত ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পদক্ষেপ তবেই থামবে এই ভয়াবহ মাদক বাণিজ্য।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla