1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
হালিশহরে কোটি টাকার মদ উদ্ধার,  চোরাচালান রয়ে গেছে এখনো - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

হালিশহরে কোটি টাকার মদ উদ্ধার,  চোরাচালান রয়ে গেছে এখনো

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

হালিশহর প্রতিনিধি

নগরীর হালিশহর থানার ডগির খাল এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৪ কোটি ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ হলেও বাস্তব চিত্র বলছে চোরাচালান সিন্ডিকেট এখনো রয়ে গেছে।

শনিবার (৩ মে) ভোর ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড চট্টগ্রাম বেইস-এর সদস্যরা সফলভাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ ও বিয়ার জব্দ করে। অভিযানটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় হলেও প্রশ্ন উঠেছে এই একক অভিযান কি যথেষ্ট ?

চোরাকারবারিরা ধরা পড়লেও মূল হোতারা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সরেজমিনে ডগির খাল এলাকায় গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন জেলের সাথে কথা বললে তারা জানান প্রতি সপ্তাহেই একাধিকবার এই একই পথ ধরে মাদক, লোহা-লক্কর ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার করা হয়। তাদের ভাষ্যমতে, এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত, যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন সিন্ডিকেট চালিয়ে যাচ্ছে। এসব চোরাকারবারীরা আনোয়ারা, টেকনাফ, বাঁশখালী ও মহেষখালী এলাকার অধিবাসী । এই থানা এলাকার বড়পুল ও হালিশহরের বিভিন্ন ব্লকে তারা ভাড়া অথবা কেনা বাসায় থাকে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ঘটনার বিষয়ে একাধিকবার হালিশহর থানাকে অবগত করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।  থানার ভূমিকা বরাবরের মতো নীরব ও নিষ্ক্রিয় ছিল যা এ চক্রের আসকারা দেওয়ার সমতুল্য।

উঠছে গুরুতর প্রশ্ন ,যেখানে কোটি কোটি টাকার চোরাচালান হচ্ছে, সেখানে মূল হোতারা এতদিন কীভাবে অধরাই থেকে যাচ্ছে? কে বা কারা তাদের পেছনে ছায়া হয়ে আছে, পুলিশের নীরবতা কি শুধুই দায়িত্বহীনতা নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় ধরনের মদদ।

এই সব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলে না। তবে অনুসন্ধান চলছে এবং অচিরেই এই চক্রের মূল হোতাদের পরিচয় ও বিস্তারিত চিত্র পত্রিকার পাতায় প্রকাশ পাবে।

চোরাচালান বন্ধে একক অভিযান নয়, চাই সমন্বিত ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পদক্ষেপ তবেই থামবে এই ভয়াবহ মাদক বাণিজ্য।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla