1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
লকডাউনে আতংকিত না হয়ে নিত্যপণ্য মজুত না করতে ক্যাব চট্টগ্রামের আহবান - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

লকডাউনে আতংকিত না হয়ে নিত্যপণ্য মজুত না করতে ক্যাব চট্টগ্রামের আহবান

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

সোমবার থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে আতংকিত হয়ে অতিরিক্ত নিত্যপণ্য ক্রয় ও মজুত না করার জন্য দেশের সকল পর্যায়ের ভোক্তাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। ০৪ এপ্রিল ২০২১ রোববার বিকালে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু ও ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান উপরোক্ত আহবান জানান জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন গত বছরও একই ভাবে অনেক ভোক্তা লকডাউনের ঘোষনা দেবার পর একসাথে অনেক নিত্যপণ্য এমনকি চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, সাবান, হ্যান্ডস্যানিটাইজার, স্যাবলন, অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ সবকিছুই মজুত করে নিজের বাসগৃহকে গুদামে পরিনত করেন। কিন্তু ২ মাস যেতে না যেতেই পণ্যগুলি মেয়াদোর্ত্তীন এবং অনেকগুলো নষ্ঠ হতে হতে শুরু করলো। আবার একসাথে এভাবে হুমড়ি খেয়ে পণ্য কেনায় ঝাপিয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা দাম ২-৩গুন বাড়িয়ে দেন। ফলে ক্রেতারা নিজেরাই বেশী দামে কিনতে বাধ্য হন। কিন্তু ১ মাস যেতে না যেতেই দাম কমে অর্ধেকে নেমে আসলো।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আর ও বলেন পবিত্র ধর্ম ইসলামে পণ্য মজুতকে হারাম ঘোষনা করা হয়েছে। তারপরও মানুষ পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে মজুত ব্যবসায় নেমে পড়েন। আর এভাবে মজুত করার কারনে প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠিও তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ে জঠিলতার সম্মুখীণ হয়। তাই নিজের সুবিধার্থে অন্যের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি করা কোন ধর্মই সমর্থন করবে না। অন্যদিকের সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে নিত্যপণ্যের আমদানি ও মজুত যথেষ্ঠ সে কারনে পণ্য নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারন নেই।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন পবিত্র রমজান মাস এলেই আমাদের দেশের কিছু ধনাঢ্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতা আকারে ইফতার সামগ্রী বিতরন করে থাকেন। আবার অনেকে অধিক বরকত লাভের আশায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকেন। কিন্তু পুরো রমজান মাস জুড়ে সাধারন দরিদ্র মানুষ যেন ইফতার ও সেহেরী স্বাশ্রয়ী মূল্যে খেতে পারেন তার জন্য কিছু না করে অনেকটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা সুনাম খুড়ানোর জন্য এ সমস্ত আয়োজনে সাধারন মানুষের একবেলা ইফতার জুটলেও পুরো মাসে রমজানে নিত্য ব্যবহার্য ইফতার সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের চরম উর্ধ্বগতিতে জনজীবন অতিষ্ঠ, সেখানে তাঁরা কোন ভুমিকা না রেখে নিজের কর্তৃত্ব জাহির করার জন্য এ ধরনের ইফতার সামগ্রী বিতরনের আয়োজন সাধারন মানুষের জীবন যাত্রায় তেমন সহায়ক ভুমিকা রাখছে না। দান হিসাবে ইফতার সামগ্রী প্রদান করার কারনে এ সমস্ত সামগ্রীর যোগান ও সরবরাহে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি হচ্ছে এবং তাই ইফতার সামগ্রীর পরিবর্তে নগদ অর্থ প্রদান করা হলে দরিদ্র মানুষ তার প্রয়োজন অনুযায়ী কেনা-কাটা করতে পারবে। অথচ দান-খয়রাত ও জাকাত দরিদ্র মানুষের প্রতি করুনা নয়, বরং এটা তাদের অধিকার হলেও ইফতার ও যাকাতের কাপড় বিতরণের সময় প্রতিবছর বিপুল পরিমান প্রাণহানি ঘটে। ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে অনেক সময় অপচয়ও ও অপচয় হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla