1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পরিবেশ অধিদপ্তর : একই অফিসে একনাগারে ১৩ বছর - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

পরিবেশ অধিদপ্তর : একই অফিসে একনাগারে ১৩ বছর

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

ড. হাসান মাহমুদ’র ভাইপো ও ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পরিচয়ে দারোয়ান যখন ‘ক্যাশিয়ার’

নিজস্ব প্রতিনিধি
মোঃ লোকমান চট্টগ্রামস্থ খুলশী পরিবেশ অধিদপ্তরে দারোয়ান হিসেবে কর্মরত আছেন ২০১২ সাল থেকে। এক নাগারে আজ (’২৫ সাল )পর্যন্ত আছেন বহাল তবিয়তে।
দারোয়ান পদে চাকুরী হলেও পরিবেশ বিপর্যয়কারী ও পরিবেশ দূষণে অপরাধীদের কাছে লোকমান ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিতি। ক্যাশিয়ার হিসেবে বহু প্রতিষ্ঠান থেকে কর্তা বাবুদের নামে মাসোহারা নেন এই লোকমান। এই মাসোহারার অবৈধ আয়ে কোটি টাকার মালিক বনে গেছে দারোয়ান লোকমান।
জানা গেছে, রাঙ্গুনিয়ার সুখবিলাস ওয়ার্ডের বাসিন্ধা এই লোকমান। পরিচয় দেন ড. হাসান মাহামুদের ভাইপো। আবার এই সুখবিলাস ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতিও এই লোকমান। একদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরে চাকুরি অন্যদিকে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি, এতসবের পরও ড. হাসান মাহমুদের ভাইপো। সবমিলিয়ে তার ক্ষমতার জোর এতই বেশী যে, তার কর্তাবাবুরা তাকে আলাদা খাতির করে থাকেন।
খবর নিয়ে জানা গেছে  , শহর ও জেলার বেশকয়টি অবৈধ ইটের ভাটা, অবৈধ পলিথিন ফ্যাক্টরী, ভেজাল খাদ্য প্রস্তুুতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে এই লোকমান মাসোহারা নেয়।
 রিয়াজউদ্দিন বাজার পলিথিন ব্যবসায়ী সমিতি, জেলরোড পলিথিন ব্যবসায়ী সমিতি, পুলিশ অফিসার আইয়ুব আলীর বাকলিয়ার পলিথিন ফ্যাক্টরী, খাতুনগঞ্জের  দিদারের কারখানা, দেলোয়ারের কারখানা ও অক্সিজেন এলাকার আরমান নামক এক ব্যাক্তি থেকে মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে থাকেন। ঈশান মিস্ত্রি হাটের মিজান ও হারুনের আইসক্রীম ফ্যাক্টরী থেকেও লোকমান মোটা অংকের মাসোহারা পায়।
জানা গেছে, লোকমান সব জায়গার মাসোহারা তথ্য তার অফিসের কর্তাদের জানান না।
এই বিষয়ে জানার জন্য লোকমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে, সে অপকটে সুখবিলাস ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও ড. হাসান মাহমুদের ভাইপো বলে জানায়। ২০১৯ থেকে ২৩ সালে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বলে স্বীকারও করেন তিনি।
দারােয়ান হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরে সকল অভিযানেও যেতেন এই লোকমান। বিষয়টি লোকমান স্বীকার করে বলেন অফিসারেরাই  আমাকে নিয়ে যেতেন।
এই মুহূর্তে আপনি অফিসে না থেকে বাইরে কি করছেন জানতে চাইলে বলেন, আজ সরকারি ছুটি। এখন আমি আমার শালীকে নিয়ে মেডিকেলে আছি।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঘুরে ফিরেই ২০১২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত খুলশীস্থ পরিবেশ অধিদপ্তরেই চাকুরি করেন তিনি। এর মধ্যে ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি চাকুরিতে ছিলেন না। বেতন ভাতাও পাননি। বাইরের কোন জেলায় তার বদলি হতে হয়নি। মাসোহারা নামক ভয়াবহ কাজের কোন শাস্তিও পেতে হয়নি তার। দীর্ঘদিন ধরে অফিসে থাকার কারণে তার সাথে পরিবেশ বিপর্যয়কারী সকল অপরাধীদের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla