1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
 ঈশান মিস্ত্রি হাটে অবৈধ অনুমোদনহীন আইসক্রীম ফ্যাক্টরী - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত   সীতাকুন্ড থানার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত’র ৭২ তম জন্মবার্ষিকী ১০ জুন পাউবো’র ‘নিরব খাদক’ প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা  নেপথ্যে ফক্সি  আনোয়ার কক্সবাজারে ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রক্সি পরীক্ষায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর নজরুল মার্কিন ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা ঠান্ডা মিয়া গরম কথা (৩৫৯) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোঃ হাসান মারুফ সমীপে কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ১৬ কোটি ৮৩ হাজার টাকার ইয়াবা উদ্ধার

 ঈশান মিস্ত্রি হাটে অবৈধ অনুমোদনহীন আইসক্রীম ফ্যাক্টরী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

নেই পরিবেশ, ফায়ার সার্ভিস, বিএসটিআই ও ট্রেড লাইসেন্সও

 ♦ লাখ লাখ কচি কাঁচা শিশুরা এসব আইসক্রীম খায়
 ♦ গনচিনি, চ্যাকারাইন, লোংরা পানি ও বিষক্ত ক্যামিক্যাল ব্যবহার
  ♦ ওসির দোহাই দিয়ে চলে এসব ভেজাল আইসক্রীম ফ্যাক্টরী
নিজস্ব প্রতিনিধি
বন্দর থানার ঈশান মিস্ত্রী হাটের উত্তরে খালপাড়ের পশ্চিমে পর পর ২টি আইসক্রীম ফ্যাক্টরী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ও অনুমোদন ছাড়াই নোংরা ময়লা পানি, বিষাক্ত ক্যামিকেল, গণচিনি ও রং ব্যবহার করে আইসক্রীম বানিয়ে বিভিন্ন দোকান, স্কুল কলেজ ও মাদ্রসার গেইটে শিশুদের ঠকিয়ে আসছেন । হারুন ও মিজান নামক ২ ব্যাক্তি এই দুই ফ্যাক্টরীর মালিক । ফ্যাক্টরী দুইটি একটির সাথে একটি লাগোয়া। ছোট ছোট শিশুরাই এই দুই ফ্যাক্টরীর কর্মচারী। শিশু আইনও এখানে কার্যকর নেই। তবে শ্রম অধিদপ্তরের লোকজন এখানে মিজান ও হারুন থেকে টাকা নিয়ে যায়।
জানা গেছে, ২০টি ভ্যান গাড়িযোগে প্রতিদিন ২ লাখ পীচ আইসক্রীম তৈরি হয় ও সরবরাহ করা হয় এখানে। ‘স্পেশাল ব্রাঞ্চি সব মালাই আইসক্রীম’ স্টেবেরী আইসক্রীম, স্বাদ ললি আইসক্রীম  ও স্বাদ চকবার আইসক্রীম-এর পলিথিন প্যাকেট পাওয়া যায় সরেজমিন পরিদর্শন কালে। এসব আইসক্রীম ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। প্রতিদিন এই ফ্যাক্টরী থেকে বিপুল অংক কামিয়ে নিলেও সরকারি কাগজপত্র নিতে রাজি নয় মিজান ও হারুন।
কাগজপত্র কেন নেননি এই বিষয়ে জানতে চাইলে তারা দুইজনই বলে  বিএসটিআই, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরের সবাই ঘুষখোর। বন্দর থানার ওসি নিজে ও থানা পুলিশ মোটা অংকের প্রতিদিন চাঁদা পায় বলে তাদের কোন সমস্যা হবে না বলে দম্ভোক্তি করেন তারা।

একসময় বিএসটিআই’র মোস্তাক মাসোহারা নিত এখন তার স্থলে নিখিল ও কাওসার আহমেদ খান নেন মাসোহারা। ফলে বিএসটিআই তাদের ঝামেলা করে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের জনৈক দারোয়ানও মাসোহারা নেয়। ওসির জন্য চাঁদা নেয় ক্যাশিয়ার । ফায়ার সার্ভিসও ম্যানেজ। কোন নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করেই খাদ্যের নামে অখাদ্য উৎপাদন ও বেচা বিক্রির ঝামেলা না থাকায় মিজান ও হারুন ধরাকে সরা জ্ঞান করে চলছে। ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরও কেন ঘুমিয়ে আছেন তা কেউ জানে না।

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla