1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে পুত্রকে হত্যা করলো পিতা ! - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

ঝালকাঠির রাজাপুরে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে পুত্রকে হত্যা করলো পিতা !

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪২৬ বার পড়া হয়েছে
 মো, নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধি
রাজাপুর উপজেলার কানুদাসকাঠি গ্রামে মো. আমির হোসেন তার পুত্র সিরাজুল ইসলাম ওরফে আলআমিন (২০)কে ৫০হাজার টাকা চুক্তিতে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে হত্যা করায়। নিজেই আবার হত্যা মামলার বাদী হয়ে দু’জনকে আসামী করে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকালে এসআই মিজানুর রহমান পিতা আমির হোসেনসহ ৭জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলার বিচারকার্যক্রম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চলমান আছে। আমির হোসেন মামলায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করতে বিভিন্ন স্থানে ও লোকজনের কাছে দৌড় ঝাপ করেছেন। পুত্র হারানোর শোকে নিহত আল আমিনের মা মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে মহামান্য আদালত ও সরকারের কাছে ন্যায় বিচার দাবী করেন স্বজনরা। ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহত আলআমির ফুফাতো ভাই আ. বারেক, ও তার স্ত্রী রুবি বেগম এবং আরেক ফুফাতো ভাই ওবায়দুল হক আকনসহ আরো অনেকে। মামলার নথিপত্র ও স্বজনরা জানান, সিরাজুল ইসলাম ওরফে আলআমিন গত ০৩-০৭-২০০৯ তারিখে হত্যার স্বীকার হয়। এঘটনায় আমির হোসেন বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় পরেরদিন ওই এলাকার হারুন অর রশিদ ও মন্টুকে আসামী করে মামলা (নং-০২, তারিখ- ০৪-০৭-২০০৯) দায়ের করেন। হত্যাকান্ডের সময় আলআমিনের পরিহিত লুঙ্গির গোচরে থাকা মোবাইল (নোকিয়া ১১০০) সেটটি পরে গেলে তার সুত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোজাম্মেল আকনকে গ্রেফতার ও মোবাইল উদ্ধার করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) রাজাপুর থানার এসআই মিজানুর রহমান। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি দেয় মোজাম্মেল আকন। জবানবন্ধিতে তিনি আমির হোসেনের সাথে ৫০হাজার চুক্তিতে ৬জনে মিলে হত্যাকান্ড পরিচালনা করে। এ হত্যাকান্ডের মাস্টার মাইন্ড আমির হোসেন মাস্টার উল্লেখ করে মোজাম্মেল আকন আদালতকে জানায়, মো. আমির হোসেনের অবাধ্য সন্তান আলআমিন। পিতার কাছে ৫লাখ টাকা দাবি করেছে। ওর দাবিকৃত টাকা না দিলে তাদের উপর জুলুম নির্যাতন চালাবে। তাই তাকে হত্যা করতে না পারলে আজীবন এ নির্যাতন সহ্য করতে হবে। এজন্য আলআমিনকে খুন করতে আমাদের ৫জনকে দায়িত্ব দেয়। ৫০হাজার টাকা ব্যায়ে সে আমাদের সাথে চুক্তি করে। ঘটনার দিন (০৩-০৭-২০০৯ তারিখ) রাতে তাকে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করার দায়িত্বও পালন করে আমির হোসেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী অচেতন আলামিনকে ঘর থেকে রাত ১১টায় গলায় তোয়ালে দিয়ে নামিয়ে নেয় রুহুল গাজী ও মোজাম্মেল আকন। অচেতন অবস্থায় থাকায় আলআমিন চিতকার করতে না পারায় তাকে দরজায় নেয়া মাত্রই রুহুল, মোজাম্মেল, মজিবর, রশিদ, কুদ্দুস, বাবুল ঝাপটিয়ে ধরে আলামিনেরর গলায় তোয়ালে পেচিয়ে শোয়াইয়ে ফেলা হয়। এসময় আমির হোসেন ১০/১৫হাত দূরে দাড়িয়ে থেকে তা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেন। ধস্তাধস্তিতে আলআমিনের লুঙ্গি খুলে গেলে গোচরে থাকা মোবাইলটি পরে যায়। সবাই ধরে টেনে হিচরে খাল পাড়ে নিয়ে শোয়াইয়া মোজাম্মেল আকন চাপাতি দিয়ে আলআমিনকে জবাই করে। মজিবর ও আইউব আলী পা, রুহুল গাজী ও রশিদ বুক, হাত, বাহু, মাথা চেপে ধরে। বাবুল ও বেলায়েত টর্চ লাইট জ্বালিয়ে হত্যায় সহযোগিতা করে। জবাইয়ের পরে আমির হোসেনের নির্দেশে লাশ খালের ভিতরে ফেলে দেয়া হয়। এসময় হত্যাকারীরা “৫লাখ টাকা দিয়ে দিলাম” বলে উল্লাস করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আলামিনের ব্যবহৃত মোবাইলটি সিম পরিবর্তন করে ব্যবহার করি। একই স্বীকারোক্তি দিয়েছে হত্যাকান্ডে অগ্রভাগে অংশনেয়া মজিবুর রহমান মন্টু ও আব্দুর রশিদ বড় মিয়াও। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) এসআই মিজানুর রহমান সার্বিক তদন্ত কার্য সম্পন্ন করে ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অভিযোগপত্র (নং- ৬৫, তারিখ- ২৫-০৭-২০১০) দাখিল করেন। মামলার তদন্তকার্য চলাকালে আ. রশিদ বড় মিয়া মারা যাওয়ায় তাকে এ মামলার বিচারকার্য থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন আইও। মামলার অপর আসামী আইউব আলী ও কুদ্দুস গাজী ইতিমধ্যে মারা গেছেন। এ মামলার বিচার কার্যক্রমে প্রধান পরিকল্পনা ও হত্যায় সরাসরি অংশগ্রহণকারী আমির হোসেন নিজেকে নির্দোশ প্রমাণ করে মামলা থেকে খালাস পেতে বিভিন্ন অপকৌশল চালাচ্ছে। পুত্র হারা শোকে মা মানসিক বিকারস্থ অবস্থায় আছেন সেই থেকেই।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla