স্টেডিয়াম থেকে ঢুকতেই হাতের বাম পাশে পাহাড়ের ছিপায় ও গাছের আড়ালে বসে সেবন করছে মরণ মরণ ব্যাধি মাদক। হাতের কাছেই কিনতেও পাওয়া যাচ্ছে মরণব্যাধি ইয়াবা, গাঁজা ও মদ । সিআরবি এলাকায় আরো কিছু বিশেষ নেশা বিক্রির আড্ডাগুলো হচ্ছে সাত রাস্তার মোড়ের পাশে বস্তিতে, গ্যাস পাম্পের পেছনে ও ও পুলিশ ফাঁড়ির সামনে।
এখানে দিনরাত চলছে মাদকের কারবার ও মাদক সেবন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এভাবে পুলিশের নাকের ডগায় মাদক ব্যবসা এবং সেবন করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। পূর্ব বাংলা পত্রিকার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাদক কারবারিরা আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে কিছু সংখ্যক যুবতী মেয়েদেরকে এবং সাথে কিছু যুবক ছেলেও রয়েছে। এসব কিশোরদের বয়স ১৮-২২ বছর । আশেপাশের কিছু লোককে প্রশ্ন করলে তারা আতঙ্কিত হয়ে গিয়ে বলে, আমরা এ ব্যাপারে কিছু বললে আমাদের উপর বিপদ নেমে আসবে । ওদের অনেক ক্ষমতা এখানে বড় বড় অফিসারেরা ওদের হাতে এবং পুলিশও ওদের পক্ষে। ওদের বিষয়ে আপনি আমাদেরকে প্রশ্ন করেছেন যদি ওরা শুনতে পায় তাহলে আপনাকেও পুলিশ দিয়ে ধরে নিয়ে নেশা বিক্রির মামলায় আপনাকে জেলে দেবে। আমরা ওদেরকে ভালভাবে চিনি এরকম হাজারো মানুষ আছে ওদের ভয়ে মুখ খুলতে চায় না।
এ ব্যাপারে পুলিশ ফাঁড়ির সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত অফিসার আমাকে অফিসে আসতে বলে এবং বলেন আমার সাথে নাকি কথা আছে আপনি অফিসে আসেন।