1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
সীতাকুণ্ড পৌরসভার ভাগাড়টি অন্যত্র সরিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছি - বদিউল আলম - পূর্ব বাংলা
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত

সীতাকুণ্ড পৌরসভার ভাগাড়টি অন্যত্র সরিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছি – বদিউল আলম

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

নাছির উদ্দিন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বের পন্থিছিলা ও শেখ পাড়ার মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত সীতাকুণ্ড পৌরসভার ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়টি জনসাধারণের দুর্ভোগে পরিনত হয়েছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ময়লা-আবর্জনা এ ভাগাড়ে নিয়মিত নিক্ষেপ করায় আবর্জনার দুর্গন্ধে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। অতিষ্ঠ জনসাধারণের অসহায়ত্বের যেন শেষ নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ ভাগাড়টি দীর্ঘদিন যাবৎ পরিবেশ দূষণ করে যাচ্ছে। বাতাসের গতি বাড়লে ভাগাড়টির ছড়ানো দুর্গন্ধ আশ-পাশের বাড়ি-ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরো করুণ আকার ধারণ করে। স্থানীয় বাসিন্দারা আরো জানায় পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড ছাড়াও রাতের অন্ধকারে দুর-দুরান্ত থেকে বর্জ্য এনে সেখানে নিক্ষেপ করছে একটি প্রভাবশালী মহল। ময়লা-আবর্জনার দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ পৌরবাসীর প্রাণের দাবী ভাগাড়টি অন্যত্র সুবিধাজনক স্থানে সরিয়ে নেওয়া হউক। পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বদিউল আলম বলেন, ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়টি আমি স্থাপন করিনি। আমার পূর্ববর্তী মেয়র ভাগাড়টি সেখানে স্থাপন করে গেছেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভোক্তভূগীরা ভাগাড়টি অন্যত্র সরিয়ে নিতে জোর দাবী জানিয়ে আসছে। পৌরবাসীদের সমস্যার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করে দীর্ঘদিন যাবৎ ভাগাড়টি অন্যত্র স্থানান্তরে কাজ করে যাচ্ছি। ৯টি ওয়ার্ডের জনসাধারণের নিক্ষিপ্ত আবর্জনা প্রতিদিন ভোরে ড্রাম্প ট্রাকের মাধ্যমে নিয়মিত অপসারণ করা হচ্ছে। আর ভাগাড়ে স্কেভেটর দ্বারা নিয়মিত বালি ও জীবানুনাশক পাউডার ছিটানো হয়। ভাগাড়ের জায়গাটি টিন দ্বারা ঘেরা দেওয়া হবে। যাতে দুর্গন্ধ অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে। একথা সত্য যে, নগরায়ন-শিল্পায়ন আর উন্নয়নের প্রভাবে সীতাকুণ্ড পৌর এলাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনবসতি। সাথে পাল্লা দিয়ে সমহারে বাড়ছে ব্যবহৃত বর্জ্য। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে স্থায়িত্ব ও টেকসই পরিকল্পনার বিষয়টি বিবেচনায় ভাগাড়ের পরিধি আরো বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করছি। তাতে প্রয়োজন সুবিধাজনক যাতায়াত সহ বড় আয়তনের জায়গা। পৌর এলাকার পাহাড় সংলগ্ন একটি জায়গা ভাগাড়ের জন্য প্রস্তাবনা থাকলেও পরিদর্শন শেষে স্থানটির স্বল্প আয়তন ও যাতায়াতে তেমন সুবিধা না থাকায় পরবর্তীতে আর সেখানে ভাগাড় স্থানান্তর সম্ভব হয়নি। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে বাকি মেয়াদে এ কঠিন কাজটি সফল ভাবে করতে পারব বলে আমি আশাবাদী।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla