1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
বন্দরের সাগর পাড়ে মাদক সিন্ডেকেটের হোতা কে এই শাহাবুদ্দিন ? - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

বন্দরের সাগর পাড়ে মাদক সিন্ডেকেটের হোতা কে এই শাহাবুদ্দিন ?

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে
  শেখ মোঃ শফি

  নগরীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড ধুমপাড়া সাগর পাড় থেকে লাইলি বিট আনন্দ বাজার এলাকা জুড়ে মাদক, দেহ ব্যবসা ও জুয়া খেলার এলাকা হিসেবে পরিণত হয়েছে। ফলে এখানে শান্তি শৃংখলার দিন দিন অবনতি হচ্ছে বিষিয়ে উঠছে স্বাভাবিক পরিবেশ।

জানা গেছে,  ধুমপাড়া সাগর পাড় শাহাবুদ্দিন কলোনিতে চলছে অবাধে রমরমা দেহ ব্যবসা,  জুয়ার আসর ও তার আশেপাশে বস্তিগুলোতে জমে উঠেছে বিশাল আকারে মাদক সিন্ডিকেট।শাহাবুদ্দিনের কলোনিতে দেহ ব্যবসা পরিচালনা করেন সালমা নামের একজন মহিলা , আর অন্যদিকে জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করেন শাহাবুদ্দিনের ভাগিনা এবং তার বাড়ির ইনচার্জ।

দস্তুরমতো সাহাবুদ্দিন যুবলীগ ও মুক্তিযুদ্ধের সন্তান পরিচয়ে এসব অপকর্ম চালাচ্ছে। সে ভিজিটিং কার্ড চাপিয়ে সবাইকে নিজের মোবাইল নাম্বারও দেয়। তার কারণে ক্ষমতাসীন দলের বদনাম হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অনেকদিন ধরে চলছে শাহাবুদ্দিনের কলোনির এই দেহ ব্যবসা। এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করে বলেন, সারাদিন তার বাড়ির ভেতরে চলে দেহ ব্যবসা ও জুয়ার আসর আর প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকেই মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের আনাগোনায় এই জায়গা অস্থির হয়ে ওঠে। ডরে ভয়ে এলাকাবাসী প্রতিবাদও করে না, করে না কোন লিখিত অভিযোগও।
আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে,  এখানে রাতভর চলে মাদক বেচাকেনা ও মাদক সেবন। এতে করে নিঃস্ব হচ্ছে এলাকার খেটে খাওয়া সাধারন মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, সন্ধ্যার পরে পাল্টে যায় এই এলাকার চিত্র।। একপাশে দেহব্যবসা আর অন্যপাশে মাদকের বেচাকেনা এতে করে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

আতঙ্কিত ও ভীত এলাকাবাসী আরো জানান, তার সাথে হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির কতিপয় পুলিশের সাথে রয়েছে গভীর সম্পর্ক এবং মাঝে মধ্যে পুলিশ এসে খোশ আড্ডায় মগ্ন থাকতে দেখা যায়। আর অনেকটাই পুলিশ প্রশাসনের  সামনে চলে জুয়া খেলা ও মাদকের পাইকারি বেচাকেনা। দ্রুত যুবসমাজকে এ ভয়ঙ্কর নেশার হাত থেকে বাঁচাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকার সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে কথা হয় ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরীর সাথে। তিনি বলেন, যত বড় নেতা হোক, আপনারা কাউকে ছাড় দিবেন না, সত্য যা তা অবশ্যই লিখবেন।
আমিও কয়েক দিন ধরে শুনতে পাচ্ছি। আপনি রশি দিয়ে বেঁধে আমাকে ফোন করলেন না কেন । আমি সব কয়টাকে পুলিশের কাছে দিতে চাই।
তিনি আরো বলেন, আমার এলাকায় আপনারা এসে কোন ধরনের কিছু সম্মুখীন হলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আমার সহযোগিতা অবশ্যই আপনারা পাবেন। আমি কোন মাদক সিন্ডিকেটের পক্ষে না, আপনি এ বিষয়ে ভালো করে লিখবেন । কার নাম কি সেটা দেখার দরকার নাই, আপনি আপনার কাজ চালিয়ে যান।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla