1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
প্রবাসী বড় ভাইয়ের টাকা আত্মসাতের দায়ে সাতকানিয়া পৌর কমিশনার আরাফাত উল্লাহ অবশেষে জেল হাজতে - পূর্ব বাংলা
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

প্রবাসী বড় ভাইয়ের টাকা আত্মসাতের দায়ে সাতকানিয়া পৌর কমিশনার আরাফাত উল্লাহ অবশেষে জেল হাজতে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৫৯ বার পড়া হয়েছে

আদালত প্রতিবেদক
 বড় ভাইয়ের চাকুরী করে বেতন নিয়ে এবং ওই আপন বড় ভাইয়ের টাকা আত্মসাত করে নির্মিত ভবন দখলের অভিযোগ উঠছে সাতকানিয়া পৌর কমিশনার আরাফাত উল্লাহ বিরুদ্ধে। আজ ১৪ মার্চ এসব অভিযোগের দায়ে অবশেষে জেল হাজতে যেতে হয় ওই কমিশনারকে। ওই কমিশনারের আপন বড় ভাই মোহাম্মদ জহির উল্লাহ ৪১ লাখ ১১ হাজারেরও অধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করলে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে কমিশনার আরাফাত উল্লাহ’র অবশেষে ঠাঁই হলো চট্টগ্রাম কারাগরে।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, সাতকানিয়ার ভোয়ালিয়া পাড়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল গফুর চৌধুরীর ছেলে পৌর কমিশনার আরাফাতুল্লাহ (৪৪) । আরাফাত উল্লাহর আপন বড় ভাই হলেন প্রবাসী মোহাম্মদ জহির উল্লাহ (৫০)। গত ২০১৪ সালের শেষের দিকে মোহাম্মদ জহির উল্লাহ তার ক্রয়কৃত মালিকানাধীন জায়গা উপর ৫ (পাঁচ) তলা বিশিষ্ট দালান নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। মোহাম্মদ জহির উল্লাহ প্রবাসে থাকার কারণে তার আপন ছোট ভাই মোঃ আরাফাত উল্লাহ’র আর্থিক অসচ্ছলতার কথা চিন্তা করে ৫ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজ দেখাশুনা ও কাজ পরিচালনা করার জন্য মাসিক ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা বেতন ধার্য করে চাকুরী দেন। গত ৮ নভেম্বর ’১৪ হতে ২৭ ফেব্রুয়ারী ’২২ পর্যন্ত নির্মাণাধীন ৫ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর উন্নয়ন কাজের ব্যয় বাবদ সর্বমোট ২,০১,৬৫,৭৬৫/- (দুই কোটি একলক্ষ পঁয়ষট্টি হাজার সাতশত পঁয়ষট্টি) টাকা মোহাম্মদ জহির উল্লাহ’র রক্ষিত হিসেবে খাতায় স্বাক্ষরপূর্বক কমিশনার মোঃ আরাফাত উল্লাহ গ্রহণ করে। সূত্র মতে, মোহাম্মদ জহির উল্লাহর সরল বিশ্বাসে সহোদর ভাই হিসেবে আরাফাত উল্লাহ চাহিদামত এই টাকা দফায় দফায় প্রদান করে। জহির উল্লাহ বিশ্বাস ও ধারনা ছিল যে, সমুদয় প্রদত্ত টাকা নির্মিত বিল্ডিং এর উন্নয়ন কাজে ব্যয় করবে ছোট ভাই আরাফাত উল্লাহ। মোহাম্মদ জহির উল্লাহ প্রবাস থেকে দেশে আসার পর মোঃ আরাফাত উল্লাহ’র নিকট হিসাব দাবী করলে আরাফাত উল্লাহ নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর খরচ বাবদ সর্বমোট ১,৮০,৪৭,২৯১/- (এক কোটি আশি লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার দুইশত একানব্বই) টাকার একটি হিসাব দেন। কমিশনার মোঃ আরাফাত উল্লাহ তার বড় ভাই প্রবাসী জহির উল্লাহর সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে তার সরলতার সুযোগে প্রায় ২১,১৮,৪৭৪/- (একুশ লক্ষ আঠারো হাজার চারশত চুয়াত্তর) টাকা হিসাবে গড়মিল দেখিয়ে এই টাকা আত্মসাৎ করেন।
জানা গেছে, মোহাম্মদ জহির উল্লাহ’র মালিকাধীন এম. জহির উল্লাহ ভবন এর ১৯ মাসের ভাড়া বাবদ সর্বমোট ৯,১২,০০০/- (নয় লক্ষ বার হাজার) টাকা এবং তার রামপুরাস্থ বিল্ডিং এর ভাড়া বাবদ সর্বমোট ২,৩৪,০০০/- (দুই লক্ষ চৌত্রিশ হাজার) টাকা আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও কমিশনার মোঃ আরাফাত উল্লাহ ডেকোরেশন ব্যবসার নামে মোহাম্মদ জহির উল্লাহ নিকট হতে ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা নগদ গ্রহণ করেন। ৫ তলা বিশিষ্ট নির্মাণাধীন ভবনের রাজমিস্ত্রি কন্ট্রাক্টর ১। মোঃ নাছির উদ্দিনকে রাজমিস্ত্রির খরচ বাবদ বিভিন্ন ধাপে প্রায় ৯৩,০০০/- (তিরানব্বই হাজার) টাকা ২। গ্রীল মিস্ত্রি কন্ট্রাক্টর মোঃ মোর্শেদ আলমকে গ্রীল সাপ্লাই বাবদ বিভিন্ন ধাপে প্রায় ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ও ৩। ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কন্ট্রাক্টর মোঃ জাফর’কে ইলেকট্রিক ও প্লাম্বিং কাজ বাবদ বিভিন্ন ধাপে প্রায় ৫৪,০০০/- (চুয়ান্ন হাজার) টাকা অতিরিক্ত হিসাবে ডাবল এন্টি করে সর্বমোট ৪১,১১,৬৭৪/- (একচল্লিশ লক্ষ এগার হাজার ছয়শত চুয়াত্তর) টাকা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে মোহাম্মদ জহির উল্লাহ গত ১৫ আগস্ট ’২২ সকাল আনুমানিক ১১ টার সময় কমিশনার মোঃ আরাফাত উল্লাহ বসত বাড়ীতে গিয়ে উপরোক্ত পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে কমিশনার মোঃ আরাফাত উল্লাহ প্রবাসী বড় ভাইয়ের উপর এর উপর চড়াও হন এবং হুমকি ধমকি প্রদান করে যাবতীয় লেনদেন অস্বীকার করলে জহির উল্লাহ বিজ্ঞ আদালতে সিআর মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় বিজ্ঞ আদালত আজ ১৪ মার্চ ’২৩ কমিশনার আরাফাত উল্লাহকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla