1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
জাঙ্কফুড ও অস্বাস্থ্য খাবার বর্জন না করলে সুস্থ ও মেধাবী জাতি পাওয়া যাবে না-ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
টিআই কাউসারের নেতৃত্বে পতেঙ্গায় অবৈধ গাড়ী আটক সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা

জাঙ্কফুড ও অস্বাস্থ্য খাবার বর্জন না করলে সুস্থ ও মেধাবী জাতি পাওয়া যাবে না-ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(সার্বিক) ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী জাঙ্ক ফুড প্রচুর চিনি, চর্বি ও লবন থাকায় খাবারে পুষ্টি কম থাকে আর পুষ্ঠিহীন খাবারের কারনে আগামী প্রজন্ম স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী হচ্ছে না। জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে গ্রামের মানুষের রক্তে লোহকনিকা শহরের মানুষের তুলনায় অনেক বেশী। কারন গ্রামের মানুষ শাকসবজি ও সুষমখাবার পাচ্ছে। আর শহরের মানুষ মাংশ বেশী খেলেও সুষম খাবারে অভাবে পুষ্টিসম্মত খাবারের অভাবে স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে বঞ্চিত। অন্যদিকে প্রসেস ফুড, জাঙ্কফুড, বিদেশী খাবারের নামে বাইরের অস্বাস্থ্যকর ও খোলা খাবার গ্রহনের কারনে খাবারটি খাদ্য না হয়ে বিষ হয়ে মানুষের পেটে ঢুকছে। যা চুড়ান্ত পরিনতি হচ্ছে পুরো বছরই কোন না কোন রোগ শোকে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষ যা আয় করছে তার সিংহভাগই চিকিৎসাখাতে চলে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন খাদ্যে ভেজাল এখন একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। মানুষ এখন না খেয়ে মরছে না। খাদ্যে ভেজালের কারনে প্রাণঘাতি নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ০৯ নভেম্বর ২০২২ইং নগরীর চট্টগ্রাম ডাঃ খাস্তগীর সরকারি স্কুলে ক্যাব চট্টগ্রাম ও যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে “মায়ের দেয়া বাসায় তৈরী টিফিন খাবো, বাইরে খোলা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন করবো” শিরোনামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। 
 
ডাঃ খাস্তগীর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহেদা আকতারের সভাপতিত্বে ক্যাব যুব গ্রুপের সদস্য মিনা আকতার ও ইবতিজাম দিদার সিঞ্জার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোঃ ফয়েজউল্যাহ, পার্ক ভিউ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ হাসিনা আকতার লিপি, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালন নাসরীন আকতার, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ¦ আবদুল মান্নান। আলোচনায় অংশনেন ক্যাব জামাল খানের সভাপতি সালাহ উদ্দীন, ক্যাব পাঁচলাইশের সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, সদরঘাট থানা সভাপতি শাহীন চৌধুরী, ক্যাব চাঁন্দগাও থানা সভাপতি মোঃ জানে আলম, ক্যাব লালখান বাজারের ঝর্না বড়ুয়া, ক্যাব যুব গ্রুপ মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, ক্যাব যুব গ্রুপের সহ-সভাপতি নিলয় বর্মন, যুগ্ন সম্পাদক আমজাদুল হক আয়েজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আবরার সুজন আয়ান, সদস্য আনিকা তাবাস্সুম, সাদিয়া ইয়াসমীন প্রমুখ।
 
ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী আরও বলেন মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আল্লাহর নেয়ামত। সন্তানের কল্যান কামনায় যিনি সর্বদা মগ্ন থাকেন। মা যে টিফিন সন্তানকে দিবনে সেখানে থাকবে মায়ের মমততা ও ভালবাসা আর সেটা হবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ টিফিন। কারন মা’র তৈরী টিফিনে কোন লৌকিকতা ও মুনাফা লাভের মনোবৃত্তি থাকে না। তাই বাইরের অস্বাস্ত্যকর পরিবেশে তৈরী খাবার বর্জন করে মায়ের দেয়া টিফিন খেতে হবে। 
 
বক্তারা আরও বলেন কোমল পানীয়, আলুর চিপস, ক্যান্ডি, পিৎজা, বার্গার, চমুসা, সিঙ্গারা, ফুসকাতে প্রচুর পরিমানে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেড, চর্বি ও সোডিয়াম থাকায় অস্বাভাবিক স্থুলতা, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী রোগ টাইপ২ ডায়বেটিস, ক্যান্সার, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিস, লিভার রোগের সংক্রমনের হার প্রচন্ড আকারে বাড়ছে। আর মানহীন ভেজাল ও জাঙ্কফুড জাতীয় খাবার গ্রহনের কারনে শিশুরা অমনোযোগী, বখাটে, স্থুলদেহী ও রোগাক্রান্ত হচ্ছে। আগামি প্রজন্মকে সুস্থ, সবল রাখতে ও মেধাবী হিসাবে গড়ে তুলতে ভেজালমুক্ত নিরাপদ খাদ্য গ্রহন এবং দেশীয় ফল, শাক সবজি গ্রহনে সামাজিক আন্দোলনের দরকার। করপোরেট আগ্রাসন এখন খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও খাদ্য ব্যবসায় ঝুঁকে পড়েছে। সেকারনে বেশী লাভের আশায় মানহীন খাদ্য পরিবেশনে সবাই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। 
শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla