1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
সাব-রেজিস্ট্রারসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে চীনের জনসংখ্যা ও আয়তনের বৈষম্য ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  জসিম উদ্দিন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত সংবর্ধিত ইবিএল চেয়ারম্যান শওকত আলীর বিরুদ্ধে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ দুদকের জন্য বরাদ্দ ১৯৭ কোটি টাকা চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের বাজেট বিবৃতি সিডিএ’র চেয়ারম্যান হলেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন ‘জীবন ও কর্ম’ নিয়ে আলোচনা সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন  মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত চট্টগ্রামের তারকা সাংবাদিক, দেশ ও জাতির অহংকার  চকবাজার ব্লাড ডোনার’স ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

সাব-রেজিস্ট্রারসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার রাজীব মজুমদারসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে সরকারি সম্পত্তি বিক্রি ও প্রতারণার মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

১৭ অক্টোবর সোমবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালযের উপ সহকারী পরিচালক আরিফ আহম্মদ বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, নোয়াখালী সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের সভাপতি মাহবুবুল হক আজাদ (৫২), সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন (৬০), সদস্য আবুল হোসেন (৫৫), আবদুল্লাহ আল মাহমুদ (২৮), আকবর হোসেন, মোহাম্মদ উল্যাহ, দলিল লেখক দেলোয়ার হোসেন, জাকের হোসেন, আবদুল মোতালেব আপেল ও তার স্ত্রী নাজনীন আক্তার বীথি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য একে অপরের যোগসাজশে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগ থেকে ১৯৮২ সালের ৭ অক্টোবর নোয়াখালী সমবায় ব্যাংক লিমিটেডকে দেওয়া লক্ষ্মী নারায়ণপুর মৌজার ১৪ শতাংশ জমি জাল খতিয়ান সৃষ্টি করে অন্যত্র বিক্রি করেন। এ ব্যাপারে দলিলুর রহমান বাদী হয়ে আদালতে পিটিশন মামলা করলে বিচারক দুর্নীতি দমন কমিশনকে ২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলা করার নির্দেশ দেন। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা গত ২০২১ সালের ২ আগস্ট সমবায় ব্যাংকের কার্যকরী কমিটির ভুয়া সভা ও দরপত্র দেখিয়ে ১৩ নম্বর ডিপি খতিয়ানকে ২০ নম্বর জাল ডিপি খতিয়ান সৃষ্টি করে বেআইনিভাবে আমমোক্তার দলিলে হস্তান্তর করেন। পরে ২০২১ সালের ৪ অক্টোবর চুক্তিনামার মাধ্যমে সরকারের এ সম্পত্তি আত্মসাৎ করেন।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla