1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
রমজানে উন্মুক্ত ইফতারী ও রাস্তায় খোলা খাবার বিক্রিতে কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততায় ক্যাব এর ক্ষোভ - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

রমজানে উন্মুক্ত ইফতারী ও রাস্তায় খোলা খাবার বিক্রিতে কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততায় ক্যাব এর ক্ষোভ

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে
  রমজানে আগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ(সিএমপি) ঘোষনা করেছিলো চট্টগ্রামে রাস্তায় ও উন্মুক্ত স্থানে ইফতারী বিক্রি বন্ধ করা হবে। ঠিক একই ভাবে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ক্যাব এর পক্ষ থেকে উন্মুক্ত স্থানে ইফতারী ও খোলা খাবার বিক্রি বন্ধে সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু রমজান শুরু হয়ে এক তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হতে চললো, উন্মুক্ত ইফতার ও খোলা খাবার বিক্রি বন্ধ হয়নি। রাস্তা-ঘাটে অতিরিক্ত খোড়াখুড়ি, নির্মান কাজ চলমান থাকায়, সিটি কর্পোরেশনের নালার ময়লাগুলি তুলে শুকানোর কারনে এক পর্যায়ে এগুলি আবার ধুলাবালিতে পরিনত হয়ে চট্টগ্রামের বাতাস-আবহাওয়া দৃষিত হচ্ছে। আর এ বিষাক্ত ধুলিকনা উন্মুক্ত খাবারে গিয়ে নানা জীবানু অনুজীবে পরিনত হয়ে মানুষের খাবারকে বিষাক্ত করছে। যার কারনে ঢাকার মতো চট্টগ্রাম নগরীতে ডায়রিয়া, জন্ডিস, পেটের পীড়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হবার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে। এ অবস্থায় রমজানে রাস্তায় ও উন্মুক্ত স্থানে ইফতারী বিক্রি বন্ধ করা, ধুলাবালির প্রকোপ বন্ধে রাস্তায় পানি ছিটানোর দাবি জানিয়েছেন দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটি।
১১ এপ্রিল  সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, ও সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান প্রমুখ উপরোক্ত দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বায়ু দুষনের কারনে বিপদ সীমার মধ্যে থাকা ঢাকা মহানগরীর পরের অবস্থানে চট্টগ্রাম হলেও কার্যত এখানে বায়ু দুষণ রোধে সরকারী-বেসরকারী কর্তৃপক্ষের তেমন কোন কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। নির্মান কাজের ধুলাবালি, কলকারখানা ও যানবাহনের কালো ধোয়ায় নগরীর পুরো পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন। এর বাইরে রয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিপনণের মতো মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। হোটেল-রেস্তোরা ও খাবারে দোকানগুলিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বারবার জরিমানা করা হলেও অপরাধের মাত্রা কমছে না। এর বাইরে যত্রতত্র খাবারের দোকান, ফটপাত ও রাস্তায় উন্মুক্ত খাবারের দোকানের ছড়াছড়ি হলেও নগর প্রশাসনের এ খাতে কোন রকম শৃংখলা বিধানের তৎপরতা দৃশ্যমান নয়। রাস্ট্রীয় মান নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই এর লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির রমরমা ব্যবসা চলমান। রমজান উপলক্ষে ঘি, সেমাই এর মতো শত শত মৌসুমী খাদ্য ব্যবসায়ীর উৎসবে ভরপুর। অনেকটাই পুরো নগরী যেন খাদ্যে ভেজালের হাট। যার কারনে জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে হুমকির সম্মুখীন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন নির্মান কাজে পরিবেশ সুরক্ষায় নির্মান কাজ চলমান থাকলে রাস্তায় পর্যাপ্ত পানি ছিটানোর বিধান থাকলেও চট্টগ্রাম নগরীতে পাহাড় কেটে ও নির্মান কাজের কারনে ধুলাবালির প্রকোপ অনেকাংশে বেড়ে বেছে। কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ থেকে পানি ছিটানোর কোন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। পাহাড় কাটা, পুকুর ভরাট, প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করার উৎসব থামানোর কোন পদক্ষেপ দেখা না গেলেও সরকারের কিছু কর্তৃপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ বিরোধী অপতৎপরতা দৃশ্যমান। যা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার বলে মতপ্রকাশ করা হয়।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla