1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
রেল কর্মকর্তাদের যোগসাজশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ - পূর্ব বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রেল কর্মকর্তাদের যোগসাজশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হলেন ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-চীনের ১৫০০ মানুষ নিখোঁজ ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু আজ নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ১৬, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক সমাজ আছে, মানুষ আছে, শুধু কোথায় যেন হারিয়ে গেছে মানবিকতা? আড়াইহাজারে সুতার মিল থেকে শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল ২ শিশুর মরদেহ বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপে চেয়ারম্যান পদে ইঞ্জিনিয়ার খলিলুর রহমানের প্রার্থী ঘোষণা রবিউল আউয়াল মাসে ১২দিন ব্যাপী মানবিক শিক্ষায় মুসল্লিদের উজ্জীবিত করছে নয়নজান জামে মসজিদ কমিটি

রেল কর্মকর্তাদের যোগসাজশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেলওয়ের অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল লাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করেছে একটি ভূমিদস্যু চক্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রেল বিভাগের অসাধু কিছু লোকজনের সহযোগিতায় লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া রেলক্রসিংয়ের পাশে হাফিজিয়া মাদ্রাসার পশ্চিম দিকে রেলওয়ের জমিতে কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন
নির্মাণের আগে সরকারিভাবে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে লোহাগাড়া খতিয়ানের বিএস ৫৭ দাগের ০.০২ একর, উপজেলার চুনতি মৌজার ১১৫০ নম্বর বিএস ৬৮ দাগের ০.০২ একর এবং বিএস ৫৯ দাগের ০.১০ একর জমির ক্ষতিপূরণের অর্থ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মাধ্যমে পরিশোধ করা
হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই অধিগ্রহণকৃত জমিতে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেডসহ কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে বসবাস করছেন চুনতি এলাকার আব্দুল মোনাফ, তার স্ত্রী
মমতাজ বেগম এবং মেয়ে মিনু আক্তার। অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল মোনাফ বলেন, আমি রেলের জায়গায় দখল করেছি। রেলের প্রয়োজন হলে আমি জায়গা ছেড়ে দেব।

বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো আমাদের কাছে আসেনি। বিভিন্নভাবে শুনতে পাচ্ছি যদি রেল কর্তৃপক্ষ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে আমাদের সহযোগিতা চান আমরা শতভাগ সহযোগিতা করব। যদি কোন ধরণের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম মোহাম্মদ সুবক্তগীন জানান, যদি কেউ রেলের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে থাকেন সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla