নিজস্ব প্রতিবেদক
রেলওয়ের অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল লাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করেছে একটি ভূমিদস্যু চক্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রেল বিভাগের অসাধু কিছু লোকজনের সহযোগিতায় লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া রেলক্রসিংয়ের পাশে হাফিজিয়া মাদ্রাসার পশ্চিম দিকে রেলওয়ের জমিতে কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন
নির্মাণের আগে সরকারিভাবে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে লোহাগাড়া খতিয়ানের বিএস ৫৭ দাগের ০.০২ একর, উপজেলার চুনতি মৌজার ১১৫০ নম্বর বিএস ৬৮ দাগের ০.০২ একর এবং বিএস ৫৯ দাগের ০.১০ একর জমির ক্ষতিপূরণের অর্থ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মাধ্যমে পরিশোধ করা
হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই অধিগ্রহণকৃত জমিতে পাকা, আধাপাকা ও টিনশেডসহ কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে বসবাস করছেন চুনতি এলাকার আব্দুল মোনাফ, তার স্ত্রী
মমতাজ বেগম এবং মেয়ে মিনু আক্তার। অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল মোনাফ বলেন, আমি রেলের জায়গায় দখল করেছি। রেলের প্রয়োজন হলে আমি জায়গা ছেড়ে দেব।
এ
বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো আমাদের কাছে আসেনি। বিভিন্নভাবে শুনতে পাচ্ছি যদি রেল কর্তৃপক্ষ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে আমাদের সহযোগিতা চান আমরা শতভাগ সহযোগিতা করব। যদি কোন ধরণের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম মোহাম্মদ সুবক্তগীন জানান, যদি কেউ রেলের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে থাকেন সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।