1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
জোড়া লাগানো শিশু রিয়াশাদ ও রেনিশ আলাদা হলো অস্ত্রোপচারে - পূর্ব বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দাপ্তরিক ছুটির দিনেও নগর উন্নয়নে সক্রিয় চউক চেয়ারম্যান, ব্যক্তিগতভাবে তদারকি বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে ওষুধ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষা ও পেশাদারিত্বের ক্ষমতায়নের দাবি আলমগীর নূরের সেচ্চাসেবক লীগ নেতা বাবলা দেবনাথের ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে পটিয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি ও প্রাণনাশের হুমকি কুয়েত গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্দোগে ফাতেহা ইয়াজদাহুম, মাসিক খতমে গেয়ারবি শরীফ ও দোয়া মাহফিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের শাহ আলমই কি বড়লিয়া বিএনপির নতুন মুখ? বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০পরিবারের মাঝে কারিতাসের নগদ অর্থ বিতরণ এফআইএসটির গাড়ী চালকের মারধরের শিকার ফরেস্ট একাডেমির বেয়ারা ডেমোক্রেটিক লীগের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২২ শে সেপ্টেম্বর ​ গণতন্ত্র কি শুধু ভোট দেওয়ার নাম?

জোড়া লাগানো শিশু রিয়াশাদ ও রেনিশ আলাদা হলো অস্ত্রোপচারে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

জোড়া লাগানো যমজ শিশু রিয়াশাদ ও রেনিশকে জন্মের ২৩ ঘণ্টার মধ্যে সফল অস্ত্রোপচারে আলাদা করা হয়েছে। অ্যাপোলো ইমপেরিয়াল হাসপাতালে এই অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন শিশু সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ।

৬ মে ওই হাসপাতালে সাতকানিয়ার বাসিন্দা সুরাইয়া বেগমকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় যমজ শিশু রিয়াশাদ জাফর চৌধুরী ও রেনিশ জাফর চৌধুরীর। ৭ মে তাদের আলাদা করা হয়।

শিশুদের বাবা ব্যবসায়ী রিয়াদ জাফর চৌধুরী।

২৯ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিশু সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ বলেন, ‘এটা আমার ক্যারিয়ারের প্রথম স্বাধীন নেতৃত্বে করা অপারেশন। ঢাকায় রিফা-শিফার সময় আমি ছিলাম সহকারী পর্যবেক্ষক। এবার ১৮ জনের একটি বিশেষজ্ঞ টিম তিন ঘণ্টা ধরে অপারেশন করে। ওদের বুক ও পেটের আড়াই ইঞ্চি অংশ, শ্বাসনালির অংশও এক ছিল। আমরা সফল হয়েছি। এখন তারা দুজনেই সুস্থ’।

হাসপাতালের প্রসূতি বিশেষজ্ঞ রেশমা শারমিন বলেন, ২৮ সপ্তাহে আলট্রাসনোগ্রাফিতে শিশু দুটি জোড়া লাগানো বলে ধরা পড়ে। পরে আরও দুবার আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। গর্ভাবস্থায় এক শিশুর রক্ত সঞ্চালন কম পাওয়ায় চিকিৎসা দেওয়া হয়। ৩৪ সপ্তাহে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশু দুটিকে। জন্মের সময় তাদের ওজন ছিল যথাক্রমে ৯৭৩ ও ১০৪৫ গ্রাম। বর্তমানে ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫৫ ও ১৩৫০ গ্রামে।

শিশুদের মা সুরাইয়া বেগম বলেন, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও সাহস দেখে আমরা ভরসা পাই। তাঁদের জন্যই আমাদের সন্তান দুটিকে নিয়ে বাসায় ফিরতে পারছি।

শিশুদের বাবা রিয়াজ আহমেদ চৌধুরী বলেন, অনেকে বলেছিলেন সন্তানদের বাইরে নিয়ে যান। কিন্তু আমরা চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের ওপর আস্থা রেখেছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান ওয়াহেদ মালেক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিদ নবী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, ডেপুটি চিফ অব মেডিক্যাল সার্ভিসেস ফজল-ই-আকবর ও অ্যানেস্থেশিওলজিস্ট মো. মাসুদ।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla