1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
জোড়া লাগানো শিশু রিয়াশাদ ও রেনিশ আলাদা হলো অস্ত্রোপচারে - পূর্ব বাংলা
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁদার উপর ভর করে পতেঙ্গায় চলছে অবৈধ গাড়ী, ভাগ যায় ঘাটে ঘাটে  বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা এনামুল করিমের অঢেল সম্পদ চবি সিনেটে চাটগাঁর ৫ সিংহপুরুষ: স্পিকারের মনোনয়নে উৎসবমুখর পাহাড়ের রাজনীতি! টেকনাফে ৩কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২জন মাদককারবারি আটক কওমি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ: ফ্রান্সে চার দিনে ৪০ জনের মৃত্যু. সিডিএ’র ২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ! অভিযোগের তীর পিডি রাজিব দাশের দিকে শিশু ক্যান্সার সম্মেলনে যোগ দিতে সাংবাদিক ওসমান গনি মনসুরের মঙ্গোলিয়া যাত্রা  ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল বিএসসির জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা” বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত সিডিএ-তে ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে অনুমোদন করার মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করার জন্য পায়তারা করা প্রসঙ্গে পিডির ব্যাখ্যা

জোড়া লাগানো শিশু রিয়াশাদ ও রেনিশ আলাদা হলো অস্ত্রোপচারে

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

জোড়া লাগানো যমজ শিশু রিয়াশাদ ও রেনিশকে জন্মের ২৩ ঘণ্টার মধ্যে সফল অস্ত্রোপচারে আলাদা করা হয়েছে। অ্যাপোলো ইমপেরিয়াল হাসপাতালে এই অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন শিশু সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ।

৬ মে ওই হাসপাতালে সাতকানিয়ার বাসিন্দা সুরাইয়া বেগমকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় যমজ শিশু রিয়াশাদ জাফর চৌধুরী ও রেনিশ জাফর চৌধুরীর। ৭ মে তাদের আলাদা করা হয়।

শিশুদের বাবা ব্যবসায়ী রিয়াদ জাফর চৌধুরী।

২৯ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিশু সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ বলেন, ‘এটা আমার ক্যারিয়ারের প্রথম স্বাধীন নেতৃত্বে করা অপারেশন। ঢাকায় রিফা-শিফার সময় আমি ছিলাম সহকারী পর্যবেক্ষক। এবার ১৮ জনের একটি বিশেষজ্ঞ টিম তিন ঘণ্টা ধরে অপারেশন করে। ওদের বুক ও পেটের আড়াই ইঞ্চি অংশ, শ্বাসনালির অংশও এক ছিল। আমরা সফল হয়েছি। এখন তারা দুজনেই সুস্থ’।

হাসপাতালের প্রসূতি বিশেষজ্ঞ রেশমা শারমিন বলেন, ২৮ সপ্তাহে আলট্রাসনোগ্রাফিতে শিশু দুটি জোড়া লাগানো বলে ধরা পড়ে। পরে আরও দুবার আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। গর্ভাবস্থায় এক শিশুর রক্ত সঞ্চালন কম পাওয়ায় চিকিৎসা দেওয়া হয়। ৩৪ সপ্তাহে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশু দুটিকে। জন্মের সময় তাদের ওজন ছিল যথাক্রমে ৯৭৩ ও ১০৪৫ গ্রাম। বর্তমানে ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫৫ ও ১৩৫০ গ্রামে।

শিশুদের মা সুরাইয়া বেগম বলেন, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও সাহস দেখে আমরা ভরসা পাই। তাঁদের জন্যই আমাদের সন্তান দুটিকে নিয়ে বাসায় ফিরতে পারছি।

শিশুদের বাবা রিয়াজ আহমেদ চৌধুরী বলেন, অনেকে বলেছিলেন সন্তানদের বাইরে নিয়ে যান। কিন্তু আমরা চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের ওপর আস্থা রেখেছিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান ওয়াহেদ মালেক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিদ নবী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, ডেপুটি চিফ অব মেডিক্যাল সার্ভিসেস ফজল-ই-আকবর ও অ্যানেস্থেশিওলজিস্ট মো. মাসুদ।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla