1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
পটিয়ায় দক্ষিণ ভূর্ষি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম ঘিরে ফের উত্তেজনা সংঘাতের আশঙ্কা, এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপ দাবি - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

পটিয়ায় দক্ষিণ ভূর্ষি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম ঘিরে ফের উত্তেজনা সংঘাতের আশঙ্কা, এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপ দাবি

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

 

সভাপতি বললেন আমার অনুপস্থিতে সভাপতি করা হয়েছে আমি আগামী সভায় পদত্যাগ করব

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভূর্ষি এলাকায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম পরিচালনা নিয়ে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আশ্রম পরিচালনা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। যে কোনো সময় এ বিরোধ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ আশ্রমটি স্থানীয়ভাবে একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর এখানে ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি, দুর্গাপূজা, কালিপূজাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

তবে সম্প্রতি পটিয়া পৌর আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক দেবাশীষ দাশ দীপক নিজেকে আশ্রমের সভাপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে এ বিষয়েই একবার সহিংসতা হয়েছিল যাতে অন্তত ৭-৮ জন আহত হন। তখনকার সময়ে থানা পুলিশের সমঝোতা অনুযায়ী ৪ নম্বর ওয়ার্ড ব্যতীত অন্য কোনো ওয়ার্ডের কেউ আশ্রম পরিচালনা কমিটিতে থাকতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে গত ২০ নভেম্বর নতুন কমিটি গঠনের চেষ্টায় পুনরায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আশ্রম পরিচালনা পরিষদ বিলুপ্ত করে একটি উৎসব কমিটি গঠন করা হলেও বিতর্ক থামেনি। সম্প্রতি দেবাশীষ দাশ নিজেকে আশ্রমের সভাপতি ঘোষণা করলে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ছাত্র জনতার আন্দোলনের জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের ভয়ে রাতের অন্ধকারে মন্দিরে নিয়মিত ঘুমায় বলেও স্থানীয়রা জানায়।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি আশ্রমকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন এবং বিরোধীদের হুমকি দিচ্ছেন। পাশাপাশি আশ্রমের নামে অর্থ উত্তোলনের পর তার কোনো স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ না করায় ক্ষোভ বাড়ছে। আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থ সম্পাদক রাহুল দাশের কাছে জমা থাকলেও তা নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা দেবতোষ জানান, “আমরা নিয়মিত মন্দিরের কার্যক্রমে সহযোগিতা করি, অথচ আমাদের অজ্ঞাতে রাতারাতি কমিটি গঠন করা হয়েছে।” আশিষ দাশ বলেন, “আমি আশ্রমের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও কমিটি গঠনের বিষয়টি জানতাম না। বিষয়টি দুঃখজনক।”

মধ্যস্থতায় থাকা আরেক স্থানীয় এ নুর জনি বলেন, “সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি গঠনের কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।”

এলাকাবাসীর মতে, অব্যবস্থাপনা, স্বজনপ্রীতি ও একচেটিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ চলতে থাকলে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে সহিংসতা অনিবার্য হয়ে উঠবে। তারা ধর্ম মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যেন এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

এসব বিষয়ে সভাপতি দেবাশিষ দাশ দিপক বলেন আমি আগেও সভাপতি ছিলাম। সভাপতি হবার পর সম্মলিত উদ্দোগে ১১ গণ্ডা জায়গা কিনেছি। মন্দিরে আগে পানি পড়ত। এটা সংস্কার করেছি। রং করেছি। এসব সংস্কার কারও কারও সহ্য হচ্ছে না। আরও  বললেন, আমার অনুপস্থিতে আমাকে সভাপতি করা হয়েছে আমি আগামী সভায় পদত্যাগ করব।

 

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla