1. editor@purbobabgla.net : Web Editor : Web Editor
  2. admin@purbobangla.net : purbabangla :
  3. jashad1989@gmail.com : Web Editor : Web Editor
চট্টগ্রামে খালে পড়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ ১৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার - পূর্ব বাংলা
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং: তুলে ধরলেন বর্তমান সরকারের ১ শত ৮০ দিনের সম্পাদিত কার্যক্রম পূর্ব বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাফর হায়াতের ১১তম মুত্যুবার্ষিকী পালন উন্মোচিত হলো এস এম পিন্টু ’অনুপ্রেরণা’ গ্রন্থের মোড়ক প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু জাফর হায়াতের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১১ মে সোমবার ২৩ ও ২৪ মে খোলা থাকবে অফিস জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করলেন নতুন এসপি মাসুদ মোঃ আলীর হোটেল গেটওয়ে মদ,জুয়া, ইয়াবা ও অসাজামিক কর্মকান্ড সবই চলে দেখার কি দেখার কেউ নেই? বাজেট অধিবেশন ৭ জুন আনোয়ারায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী তবু গ্রেফতার হচ্ছে না

চট্টগ্রামে খালে পড়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ ১৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার

পূর্ব বাংলা ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

 

রানা সাত্তার, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকায় কাপাস গোলায় নবাব হোটেলের পাশে রিকশা খালে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে নিখোঁজ হওয়া শিশু সেহরিশ। নিখোঁজের মরদেহ ১৪ ঘণ্টা পর পরদিন সকালে ১৯ এপ্রিল (শনিবার)  উদ্ধার করা হয়েছে।চাক্তাই খালের চামড়ার গুদাম সংলগ্ন এলাকায় আবর্জনার স্তূপের মধ্যে ভেসে থাকা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত শিশুটির নাম সেহরিশ। তার মায়ের নাম সালমা বেগম এবং বাবার নাম মো. শহিদ। তারা নগরীর আছদগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) চকবাজারের কাপাসগোলা এলাকায় শহিদের বোনের বাসায় বেড়াতে যান সালমা বেগম, শিশু সেহরিশ ও তার দাদি।

সন্ধ্যার দিকে তারা  রিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। রিকশাটি চকবাজার এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নালায় পড়ে যায়। এ সময় সেহরিশ মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে নিখোঁজ হয়। রিকশাচালক ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন সালমা বেগম ও তার শাশুড়িকে উদ্ধার করেন।

রাত সাড়ে আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)-র পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এবং নৌবাহিনীর ডুবুরি দল অভিযানে অংশ নেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালে পড়ে যাওয়া রিকশাটি স্ক্যাভেটর দিয়ে উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাস্থলে রাতেই উপস্থিত হন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি ঘোষণা দেন, যে ব্যক্তি শিশুটিকে জীবিত বা মৃত উদ্ধার করতে পারবে, তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

শনিবার সকালে খালের পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক মিজান হঠাৎই খালে ভেসে থাকা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পান। তিনি জানান, “প্রথমে মনে হয়েছিল পুতুল। পরে কাছে গিয়ে দেখি শিশুর মরদেহ। প্রায় আধঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিলাম, ভয়ে শরীর কাঁপছিল। এরপর আশপাশের মানুষদের ডেকে আনি।”

শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে খালপাড়ে পানি দিয়ে পরিষ্কার করার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নালায় শিশুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি আশপাশের এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বহু মানুষ খালপাড়ে ভিড় করেন এবং উদ্ধার কাজে বাধা সৃষ্টিকারী আবর্জনার স্তূপ, জলাবদ্ধতা এবং নিরাপত্তা বেষ্টনীর অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর সমালোচনা করেন। তারা অবিলম্বে  রিকশার চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করা এবং খালপাড়ে নিরাপত্তা রেলিং স্থাপনের দাবি জানান।

শেয়ার করুন-
এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 purbobangla